চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: লেবাননের বৈরুতে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত দিপালীর বাড়িতে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে তার পরিবারকে সমবেদনা জানান তিনি। এসময় নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার দেন। পরবর্তীতে পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চর হরিরামপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন,আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ফরিদপুর জেলা শাখার সরকারি পরিচালক মোঃ আশিক সিদ্দিকী।তিনি বলেন আমরা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য পেয়েছি মৃত দেহটি বর্তমানে মর্গে আছে। অতি দ্রুতই মৃত দেহটি দেশে এসে পৌঁছাবে এবং আমরা পরিবারকে হস্তান্তর করব। এ সময় লাশ দাফন এবং যাতায়াত খরচ বাবদ আমাদের পক্ষ থেকে পঁচিশ হাজার টাকা নিহত পরিবারকে দেওয়া হবে।
শুক্রবার রাতে চরহরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এছাড়া বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক শোকবার্তায় দিপালী আক্তারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।
জানা যায়, দিপালী আক্তার গত পাঁচ বছর ধরে লেবাননে গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত বুধবার (০৮ এপ্রিল) তিনি তার নিয়োগকর্তা (কফিল) পরিবারের সঙ্গে বৈরুতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় সেখানে ইসরাইলি বিমান হামলা হলে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
নিহতের মরদেহ বর্তমানে বৈরুতের রফিক হারিরি হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে চরভদ্রাসন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, দিপালী আক্তার বৈরুতে ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন। একই হামলায় মোট ৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
রিপোর্টার্স২৪/মিতু