রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে মানুষের বিভ্রান্তির অন্যতম বড় মাধ্যম হিসেবে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও চিন্তাশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ১০০ ফিট এলাকায় জেসিআই কার্নিভালে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনীতি সবসময় নানা ধরনের আলোচনা ও বিতর্কে ভরা থাকে। সংসদীয় আলোচনাও অনেক সময় মানুষের কাছে ভালো বা খারাপ—দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। একইভাবে রাস্তায় দেওয়া বক্তব্য বা টকশোও মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্ত করছে সোশ্যাল মিডিয়া, যেখানে সবাই এখন কমবেশি যুক্ত। তার মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য সবসময় ইতিবাচক হয় না, বরং অনেক ক্ষেত্রে ভুল বার্তা তৈরি করে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, উন্নত দেশ অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের নিচের শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, যা সেখানে শিশুদের সুরক্ষার জন্য নেওয়া একটি পদক্ষেপ। একই ধরনের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তবে এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও হতাশ না হয়ে নতুন উদ্যোগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় দেশের সার্বিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর ৫৬ বছর পার হলেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। এখনো মাথাপিছু আয় ও জিডিপি প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে।
তবে খাদ্য উৎপাদন ও কিছু অর্থনৈতিক খাতে অগ্রগতিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম