| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মামলা থেকে খালাস পেলেন নাসির-তামিমা

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ১০, ২০২৬ ইং | ১৩:১১:৩৩:অপরাহ্ন  |  ৩৩৮ বার পঠিত
মামলা থেকে খালাস পেলেন নাসির-তামিমা
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

 আদালত প্রতিবেদক : ডিভোর্স না দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় খালাস পেয়েছেন ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রীর তামিমা সুলতানা তাম্মি। বুধবার দুপুরের ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জশিতা ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় নাসির-তামিমা উভয়ই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, ৬ মে বাদী ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুনানি শেষে একই আদালত রায় ঘোষণার এ তারিখ ধার্য করেন। ওইদিন শুনানিতে তাদের সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে প্রার্থনা করেন বাদীপক্ষ। তবে তাদের নির্দোষ দাবি করে খালাসের প্রার্থনা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণ জানেন। রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান অবস্থাতেই তামিমা নাসিরকে বিয়ে করেছেন; যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন নাসির। তামিমা ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছর বয়সী কন্যা মারাত্মকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের এমন কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

দণ্ডবিধির ৪৯৭, ৫০০ এবং ৩৪ ধারায় মামলাটির আবেদন করা হয়েছিল। মামলায় আগের বিয়ে গোপন থাকা অবস্থায় অন্যত্র বিয়ে, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির অভিযোগ আনা হয়।

২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে পিবিআই’র পুলিশ পরিদর্শক (নি.) শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে দোষী উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। পরের বছরে ২৪ জানুয়ারি আদালত নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে এ মামলার অপর আসামি তামিমার মা সুমি আক্তারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে নাসির ও তামিমার বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। এরপর রিভিশন আবেদন ও পরবর্তীকালে তা খারিজ হলে মামলার বিচার কার্যক্রম আবারও শুরু হয়৷

২০২৩ সালের মার্চে বাদী রাকিবের সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১০ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়। 

পরে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়, যেখানে তামিমা দাবি করেন যে, তিনি আইনগতভাবে আগের স্বামীকে তালাক দিয়েই নাসির হোসেনকে বিয়ে করেছেন।

রিপোর্টার্স২৪/এম এইচ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪