বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর আত্মীয় হওয়ায় ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের গছাইল গ্রামের বাসিন্দা বাকি বিল্লাহ (৫১) গছাইল হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে কর্মরত। তাঁর কর্মস্থল ভুক্তভোগীর বাড়ির পাশেই হওয়ায় তিনি নিয়মিত ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি বিকেলে ২৬ বছর বয়সী ওই শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে বাকি বিল্লাহর বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা তরুণীর শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করলে গত ৬ জুন একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা পরীক্ষা করানো হয়। সেখানে তিনি অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা বগুড়া আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে নন্দীগ্রাম থানায় মামলাটি রুজু করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বাকি বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া আদালত হাজতে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একজন মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ তারিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি