| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত ৪৪ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ০৫, ২০২৬ ইং | ১৫:৩৭:০৫:অপরাহ্ন  |  ১৭৮৫৪৬ বার পঠিত
বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত ৪৪ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান

স্টাফ রিপোর্টার: দেশি-বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পুরোপুরি চালু, আংশিক চালু ও পুরোপুরি বন্ধ ৪৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তুত করেছে সরকার। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে চিনিকল, কাগজকল, রাসায়নিক শিল্প, টেক্সটাইল মিল, পাটকল, কাচ কারখানা, সার কারখানা, ইস্পাত কারখানা, প্রকৌশল শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের শিল্পপ্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) রোববার (৫ জুলাই) রাষ্ট্রায়ত্ত এসব প্রতিষ্ঠানের নাম, এলাকা ও সম্পদের পরিমাণ উন্মুক্ত করে। এর আগে গতকাল শনিবার (৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী এসব প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রস্তুতের নির্দেশ দেন।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) প্রকাশিত তালিকায় প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—

১) সেতাবগঞ্জ চিনিকল, বোচাগঞ্জ, দিনাজপুর।

২) ঠাকুরগাঁও চিনিকল, বালিয়াডাঙ্গী রোড, ঠাকুরগাঁও।

৩) কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড (কেপিএমএল), চন্দ্রঘোনা, রাঙামাটি।

৪) রাজশাহী চিনিকল, হারিয়ান, রাজশাহী।

৫) পঞ্চগড় চিনিকল, পঞ্চগড়।

৬) জয়পুরহাট চিনিকল, জয়পুরহাট।

৭) কুষ্টিয়া চিনিকল, জগতি, কুষ্টিয়া।

৮) মোবারকগঞ্জ চিনিকল, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ।

৯) এএফসিসিএল-এর প্রিমিয়াম ফ্লোট গ্লাস, সোলার গ্লাস ও সোলার প্যানেল প্ল্যান্ট, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

১০) ফরিদপুর চিনিকল, মধুখালী, ফরিদপুর।

১১) জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড (জেমকো), নর্থ পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

১২) লতিফ বাওয়ানী এবং করিম জুট মিলস ক্লাস্টার, ডেমরা, ঢাকা।

১৩) নাটোর চিনিকল, নাটোর।

১৪) চট্টগ্রাম কেমিক্যাল কমপ্লেক্স (সিসিসি), বারবকুণ্ড, চট্টগ্রাম।

১৫) শ্যামপুর চিনিকল, বদরগঞ্জ, রংপুর।

১৬) পাবনা চিনিকল, দাশুড়িয়া, পাবনা।

১৭) খুলনা নিউজপ্রিন্ট অ্যান্ড হার্ডবোর্ড মিলস, খালিশপুর, খুলনা।

১৮) রেনউইক, যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, কুষ্টিয়া।

১৯) আমিন জুট মিলস লিমিটেড, ষোলশহর, চট্টগ্রাম।

২০) প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (পিআইএল), বারবকুণ্ড, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম।

২১) দিনাজপুর টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, দিনাজপুর।

২২) বাংলাদেশ ইনসুলেটর অ্যান্ড স্যানিটারিওয়্যার ফ্যাক্টরি লিমিটেড (বিআইএসএফএল), মিরপুর-১, ঢাকা।

২৩) সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, সাতক্ষীরা।

২৪) রাঙামাটি টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, ঘাগড়া, রাঙামাটি।

২৫) টাঙ্গাইল কটন মিলস লিমিটেড, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।

২৬) দি এশিয়াটিক কটন মিলস লিমিটেড, ষোলশহর, চট্টগ্রাম।

২৭) চিত্তরঞ্জন কটন মিলস লিমিটেড, গোদনাইল, নারায়ণগঞ্জ।

২৮) খুলনা টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, বয়রা, খুলনা।

২৯) ঢাকা লেদার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএলসিএল), নয়ারহাট, সাভার, ঢাকা।

৩০) কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, নজিরা, কুড়িগ্রাম।

৩১) টিএসপিসিএলের নতুন টিএসপি সার কারখানা, নর্থ পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

৩২) কোকিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

৩৩) আমিন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, ষোলশহর, চট্টগ্রাম।

৩৪) জিপিএফপিএলসির ইউএফ-৮৫ প্ল্যান্ট, পলাশ, নরসিংদী।

৩৫) উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি লিমিটেড (ইউজিএসএফএল), কালুরঘাট, চট্টগ্রাম।

৩৬) অ্যাটলাস বাংলাদেশ লিমিটেড (এবিএল), টঙ্গী শিল্প এলাকা, গাজীপুর।

৩৭) জিপিএফপিএলসির ইনার লাইনারসহ ডব্লিউপিপি ব্যাগ কারখানা, ঘোড়াশাল-পলাশ।

৩৮) ফার্টিলাইজার পিএলসি প্রাঙ্গণ।

৩৯) নো-ভিউ গেস্ট হাউস, চট্টেশ্বরী, চট্টগ্রাম।

৪০) খুলনা জোন অফিস, চরএরহাট, খুলনা।

৪১) বেঙ্গল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, নওয়াপাড়া, যশোর।

৪২) আফসার কটন মিলস, সাভার, ঢাকা এবং

৪৩) পরিবেশবান্ধব আধুনিক স্টিল মিল, ছয়পুকুরিয়া, বগুড়া।

৪৪) জিল বাংলা চিনিকল, দেওয়ানগঞ্জ, জামালপুর।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) জানিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের অধীনে ১০ হাজার একরের বেশি কৌশলগত শিল্পভূমি রয়েছে। ইস্পাত ও প্রকৌশল, রাসায়নিক, চিনি ও খাদ্যশিল্প, টেক্সটাইল এবং পাট খাতের এসব সম্পদে বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু বা আধুনিকায়ন, পুনঃউন্নয়ন, ইজারাভিত্তিক পরিচালনা, যৌথ উদ্যোগ এবং কৌশলগত অংশীদারত্বের মাধ্যমে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।

বিডা জানায়, এসব প্রতিষ্ঠানে সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসহ প্রয়োজনীয় ইউটিলিটি সুবিধা এবং বিদ্যমান শিল্প অবকাঠামো রয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত বা স্বল্প ব্যবহৃত রাষ্ট্রায়ত্ত সম্পদকে পুনরায় উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের আওতায় আনার জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়েছে।

তালিকাভুক্ত অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে অলাভজনক, বন্ধ অথবা সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে। বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য-জানায় বিডা।

বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ও প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী ইজারা, যৌথ উদ্যোগ (জয়েন্ট ভেঞ্চার), পরিচালনার দায়িত্ব হস্তান্তর অথবা অন্যান্য উপযুক্ত পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪