স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিচ্ছে মেক্সিকো ও ইংল্যান্ড। মেক্সিকো সিটির গর্জনমুখর দর্শকদের সামনে ম্যাচের প্রথম ২৩ মিনিট শেষে কোনো দল গোলের দেখা না পেলেও দুই প্রান্তেই তৈরি হয়েছে একাধিক সুযোগ।
ম্যাচের প্রথম মিনিটেই হলুদ কার্ড দেখেন ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার ডেকলান রাইস। মাঝমাঠে লুইস রোমোর সঙ্গে বলের লড়াইয়ে বিপজ্জনক ট্যাকল করায় তাকে সতর্ক করেন রেফারি আলিরেজা ফাগানি। ফলে ম্যাচের শুরু থেকেই চাপে পড়ে যান এই ইংলিশ তারকা।
প্রথম ১০ মিনিটে দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ব্যস্ত ছিল। ইংল্যান্ডের হয়ে অ্যান্থনি গর্ডন ও বুকায়ো সাকা কয়েকটি আক্রমণ গড়ে তুললেও সেগুলো থেকে গোলের সুযোগ তৈরি হয়নি। অন্যদিকে মেক্সিকোর আলেক্সিস ভেগা, মোরা ও রবার্তো আলভারাদো ইংল্যান্ডের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করেন।
ম্যাচের ১৬তম মিনিটে ইংল্যান্ডকে নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে বাঁচান গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। আলভারাদোর নিখুঁত ক্রসে রাউল হিমেনেজের শক্তিশালী হেড দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন তিনি। পিকফোর্ডের এই সেভই ম্যাচের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত।
১৮ ও ১৯ মিনিটে উভয় দলই ফাউলের কারণে বেশ কয়েকবার খেলা থামায়। গালিয়ার্দোর ফাউলে ফ্রি-কিক পায় ইংল্যান্ড, এরপর বেলিংহামকে আটকে দেওয়ায় আবারও ইংলিশদের পক্ষে বাঁশি বাজান রেফারি।
২০ মিনিটে গর্ডনের গতিময় আক্রমণে আরও একটি কর্নার আদায় করে ইংল্যান্ড। তবে মেক্সিকোর রক্ষণভাগ তা সফলভাবে সামাল দেয়।
২৩তম মিনিটে নির্ধারিত ‘হাইড্রেশন ব্রেক’-এর জন্য খেলা সাময়িক বন্ধ রাখা হয়। এর আগে রেফারির গায়ে লেগে বল খেলা থেকে বাইরে চলে গেলে খেলা থেমে যায় এবং ঠিক তখনই পানিবিরতির সময় হয়ে যাওয়ায় উভয় দলকে বিরতি দেওয়া হয়।
এদিকে স্বাগতিক সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মেক্সিকো সিটির স্টেডিয়ামের শব্দের মাত্রা একপর্যায়ে ১৪৯ ডেসিবেলে পৌঁছায়, যা একটি জেট ইঞ্জিনের শব্দের চেয়েও বেশি বলে জানানো হয়েছে।
প্রথম ২৩ মিনিট শেষে ম্যাচের স্কোর ০-০। তবে দুই দলের আক্রমণাত্মক ফুটবল ইঙ্গিত দিচ্ছে, শেষ ষোলোর এই লড়াইয়ে সামনে আরও রোমাঞ্চ অপেক্ষা করছে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি