নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইল সদর উপজেলার নড়াইল-ঢাকা মহাসড়কের ব্যস্ততম নাকশী বাসস্ট্যান্ডে জেলা পরিষদের যাত্রীছাউনিটি এখন আর যাত্রীদের ব্যবহারের অবস্থায় নেই। যাত্রীদের রোদ, ঝড়, বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত এই যাত্রীছাউনিটি দখল করে বসানো হয়েছে ঢাকাগামী বাসের টিকিট কাউন্টার। এর ফলে ছাউনীর ভেতর দিয়ে সাধারণ মানুষের হাঁটাচলা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বৃদ্ধ, নারী ও শিশুরা রোদ বৃষ্টিতে ভিজে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন। এতে প্রতিদিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন অসংখ্য যাত্রী।
অপরদিকে লোহাগড়া উপজেলার একই মহাসড়কের এড়েন্দা বাসস্ট্যান্ডের যাত্রীছাউনিটাও যাত্রীদের ব্যবহারের অবস্থায় নেই। এ যাত্রীছাউনিটা দখন করে রেখেছেন ছাকিব শেখ নামে স্থানীয় এক ফল ব্যবসায়ী। সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীছাউনিটির সাথে লাগোয়া তার ফলের দোকান। তিনি তার ফলের দোকানের সমস্ত কার্টুন, ক্যারেটসহ নানান সরঞ্জাম দিয়ে ভরে রেখেছেন। যার ফলে যাত্রীছাউনির ভিতরে জমে আছে মসা আর মাছি। এ যাত্রীছাউনিতে দাড়ানো বসাতো দূরের কথা এর ভিতরে ডোকার ও পরিবেশ নেই।
ঢাকাগামী এক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি, বসার একটু জায়গা নেই। বৃষ্টি আসলে ছাউনীর নিচে দাঁড়ানোর উপায়ও নেই। সরকারি টাকায় ছাউনি বানিয়ে এখন দোকানদাররা দখল করে বসে আছে। দাঁড়িয়ে থাকা আরেক যাত্রী বলেন, যাত্রীদের জন্য বানানো ছাউনিতে যদি যাত্রীরাই দাড়াতে বসতে না পারে তাহলে এ বানিয়ে কি লাভ। তিনি আরও বলেন, প্রশাসন চাইলে এটি উচ্ছেদ করতে পারে, কিন্তু উচ্ছেদ করেনা।
এ বিষয়ে নড়াইল জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমান আলেক বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। যাত্রীছাউনিতে দোকান বসানো যায় না, দখল করারও কোনো সুযোগ নেই। এখানে দোকান বসানোরও সুযোগ নেই। আমরা দ্রুতই উচ্ছেদ অভিযান চালাব।
রিপোর্টার্স২৪/এম এইচ