স্টাফ রিপোর্টার: ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রমাণিত হলে জুলাই শহীদের সংখ্যা বাড়বে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জুলাই মাসের শহীদের সংখ্যা নিয়ে আইসিটি চিফ প্রসিকিউটর বলেছেন সংখ্যাটা এক হাজার ৪০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি জাতীয় সংসদে আমার বক্তব্যে বলেছি যারা আমাদের এই আন্দোলনে শহীদ হয়েছে তাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা আমরা করছি। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে যে তালিকাটি করা হয়েছে এক্স্যাক্ট সংখ্যাটা আমার সামনে নাই ৮০০ কত জনের কথা বলেছে। সেটা ডকুমেন্টেড আছে, তাদের শহীদ হিসেবে তালিকায় ভুক্ত করা হয়েছে, গেজেট করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আহতদের ক, খ ও গ শ্রেণি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। মোট সংখ্যা ১৫ হাজার কতজন আমার সঠিক সংখ্যাটা মাথায় নাই ১৫ হাজারের বেশি হবে শহীদ ও আহত মিলে। তো এই তালিকা বিভিন্নভাবে যদি ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় তো সংখ্যা তো বাড়বে। এটা ডকুমেন্টেড হতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে যে তালিকা করা হয়েছে, সেখানে ৮০০ প্লাস ছিল আর শহীদের সংখ্যা হয়তো বাড়তে পারে কারণ অনেকের লাশ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, গণকবরের মতো অনেক ক্ষেত্রে রিসেন্টলিও পাওয়া গেছে। এখন আত্মীয়-স্বজনরা আসলে শহীদের লাশ খুঁজে বেড়াচ্ছে বা কবর খুঁজে বেড়াচ্ছে, সে ঘোষণা আমরা দিয়েছি। এখন ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে যদি সেটা উদঘাটন করা হয় তখন স্বাভাবিকভাবেই শহীদের সংখ্যা বাড়বে। আমাদের প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা বা চিফ প্রসিকিউটর আইসিটি হয়তো কালকে সেই বিষয়ে কথা বলেছেন।
তিনি আরও বলেন, মামলা বা যারা বাদি হচ্ছে তাদের আগে খুঁজে বের করতে হবে। এগুলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় অভিযোগের ভিত্তিতে অনেক ক্ষেত্রে এই তালিকাগুলো করা হয়েছে। তো তারাও খুব বেশি তদন্ত করার সুযোগ হয়তো তখন পায়নি। তো এখন ক্ষেত্রমতে এই সমস্ত অভিযোগ পাওয়া গেলে আমরা তদন্ত করে অবশ্যই সেটা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। আর যারা ভুয়া বাদি হয়ে থাকে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটা সিদ্ধান্ত মাঠ পর্যায়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে সমস্ত মামলায় হাজার হাজার আসামি করা হয়েছে সেই মামলাগুলোতে আসামিদের ক্ষেত্রে একটা আইন তো আছে ১৭৩ ধারা তো সেটা ফাইন্ড আউট করে তাদেরকে চার্জশিটের আগেই যেন বাদ দেওয়া হয়। তো এটা নিয়ে আমরা আবার বসবো।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব