| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জাতীয় নিরাপত্তায় সাইবার সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ২৫, ২০২৬ ইং | ১৬:১৭:৫৭:অপরাহ্ন  |  ১৬০ বার পঠিত
জাতীয় নিরাপত্তায় সাইবার সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ

স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রচলিত সামরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি সাইবার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দেশীয় প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বাস্তবতায় দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বেসামরিক প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। একই সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীকে আরও গণমুখী, দক্ষ ও পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীতে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া) মিলনায়তনে ‘ফিরে দেখা জুলাই ২৪’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাওয়া চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল হক।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সময়ে জাতীয় নিরাপত্তার ধারণা শুধু সীমান্ত সুরক্ষায় সীমাবদ্ধ নয়। সাইবার ঝুঁকি, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাও জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে সাইবার অপরাধ ও তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকাতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

এ জন্য দক্ষ জনবল তৈরির পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা ও দেশীয় প্রযুক্তি খাতের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

এ কে এম শামছুল ইসলাম বলেন, সশস্ত্র বাহিনীকে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীকে পরিণত করতে সরকার কাজ করছে। দুর্যোগ, সংকট ও জাতীয় প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে ভূমিকা সশস্ত্র বাহিনী পালন করে আসছে, তা অব্যাহত রাখতে হবে। মাঠপর্যায়ে সুশাসন নিশ্চিত ও জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো শক্তিশালী করতে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর সমন্বয় আরও বাড়ানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক বন্ধুত্বের নীতিতে বিশ্বাসী। বিমসটেকসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ফোরামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা ও যৌথ সীমান্ত সুরক্ষায় বাংলাদেশ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও স্বনির্ভর করতে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে উন্নত প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও যৌথ নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করা হচ্ছে।

অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, দেশপ্রেম কোনো নির্দিষ্ট বয়সের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অবসর গ্রহণের পরও দেশের প্রতি দায়িত্ব শেষ হয় না। জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় সংকটের বিভিন্ন সময়ে তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি রাওয়া ক্লাবকে মেধাভিত্তিক চর্চা ও জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে গবেষণার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় রাওয়া কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪