| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে জরুরি অবস্থা জারির বিষয়ে একমত হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১৩, ২০২৫ ইং | ০৯:৫৪:৩৫:পূর্বাহ্ন  |  ১৫০১৪৫৯ বার পঠিত
ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে জরুরি অবস্থা জারির বিষয়ে একমত হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো
ছবির ক্যাপশন: আজ (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ১২তম দিনের বৈঠক শুরু হয়।

সিনিয়র রিপোর্টার : জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফার ১২তম দিনের বৈঠকে জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিষয়ে একমত হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। 

সিদ্ধান্ত হয়েছে, জরুরি অবস্থা ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতিস্বাক্ষরের পরিবর্তে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিধান যুক্ত করা। মন্ত্রীসভার বৈঠকে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বা নেত্রী বা তার অনুপস্থিতিতে বিরোধীদলীয় উপনেতা উপস্থিত থাকবেন। 

এর আগের দিনের আলোচনায় জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান সংশোধন ও জরুরি অবস্থাকে রাজনৈতিক অপব্যবহার না করার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছিলো। 

এর আগে, জরুরি অবস্থা নিয়ে গত ৭ ও ১০ জুলাই আলোচনা হয়। 

রোববার দুপুরে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আলোচনার বিরতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমীর সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। 

তিনি বলেছেন, এখন থেকে জরুরি অবস্থা ঘোষণার জন্য মন্ত্রীসভার বৈঠকে পরামর্শ করতে হবে যেখানে প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা অথবা তার পরিবর্তে বিরোধী দলীয় উপনেতা থাকবেন। সে পরামর্শ অনুসারে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করবেন। 

বিদ্যমান সংবিধানের '১৪১ এর ক এর ১ ধারা মতে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরি-অবস্থা বিদ্যমান রয়েছে, যা যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোনো অংশের নিরাপত্তার বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হলে তিনি অনধিক নব্বই দিনের জন্য জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করিতে পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই মন্ত্রীসভার লিখিত অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।' 

বর্তমান সংবিধানে ১২০ দিনের কথা বলা আছে। একই সঙ্গে জরুরি অবস্থা ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতিস্বাক্ষর প্রয়োজন হবে। 

আলোচনার মাঝে জরুরি অবস্থা নিয়ে মন্ত্রীসভার বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা বা নেত্রীর উপস্থিতি নিশ্চিতের প্রস্তাব করেন জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। এ প্রস্তাবে সমর্থন জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। 

পরে ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন বিরোধী দলীয় নেতা না থাকলে কে উপস্থিত থাকবেন তা নিয়ে কথা বলেন। তিনি সে সুযোগ রাখার প্রস্তাব করেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার জানান, বিরোধীদলীয় উপনেতাও মন্ত্রী পদমর্যাদার।


রিপোর্টার্স ২৪/এমবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪