| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মাগুরার শ্রীপুরে শহীদ রাব্বির মরদেহ উত্তোলনে পরিবারের বাঁধা

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১৪, ২০২৫ ইং | ০৬:২০:৩৩:পূর্বাহ্ন  |  ২৭৯০৩৬১ বার পঠিত
মাগুরার শ্রীপুরে শহীদ রাব্বির মরদেহ উত্তোলনে পরিবারের বাঁধা
ছবির ক্যাপশন: মাগুরার শ্রীপুরে শহীদ রাব্বির মরদেহ উত্তোলনে পরিবারের বাঁধা

শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার নোহাটা গ্রামের ছাত্রনেতা আসিফ ইকবল রাব্বির মরদেহ পরিবারের বাঁধার মুখে উত্তোলন করতে সক্ষম হননি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

৩৬০ দিন পর অর্থ্যাৎ  প্রায়ই ১বছর পূর্বে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বর ফল পট্টিতে গুলিতে শহীদ হন মাগুরার আসিফ ইকবাল রাব্বি। এ ঘটনায় ঢাকার মিরপুরের বাউনিয়া বাঁধ এলাকার এক অজ্ঞাত ব্যক্তি ১৪৬ জনকে আসামী করে ঢাকার বিজ্ঞ সিএমএম (পল্লবী আমলী) আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার সূত্রধরে ঢাকার বিজ্ঞ সিএমএম আদালতের (পল্লবী আমলী) নির্দেশে সোমবার সকালে মাগুরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম রাব্বির মরদেহ উত্তোলনের জন্য শ্রীপুর উপজেলার নোহাটা সম্মিলিত কবরস্থানে যান। সেখানে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকা মোট্রো উত্তরের ইন্সপেক্টর এমরানুল হাসান ও মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ওসমান গণি ও শ্রীপুর থানার এসআই মনসুর আহমেদসহ সংশ্লিষ্টরা আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা তার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করতে রাজি না হওয়ায় মামলার তদন্তকারী টীম ফিরে যান।  

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ঢাকার মিরপুর ১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন আসিফ ইকবাল রাব্বি। তার গ্রামের বাড়ি শ্রীপুর উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের নোহাটা গ্রামে। দুই ভাই বোনের মধ্যে আসিফ ছিল বড়। তার মায়ের নাম রাবেয়া সুলতানা ডেজি। সে ঢাকার বে-সরকারি ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ পাস করে জারা বাইং হাউজে চাকুরি করত।

আসিফের পিতা এম এ রাজ্জাক জানান, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ঢাকার মিরপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেয় সে। সন্ধ্যা ৬ টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় গুলিতে আহত হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। পরদিন গ্রামের কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে একটি মামলাও করেছেন। 

এদিকে মো. নওশাদ আলী নামে ঢাকার মিরপুরের বাউনিয়া বাঁধ এলাকার এক অজ্ঞাত ব্যক্তি ১৪৬ জনকে আসামী করে একই ঘটনায় ঢাকার বিজ্ঞ সিএমএম (পল্লবী আমলী) আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার নং-৬৮৪/২০২৪।

এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক তথ্য মন্ত্রী মো. এ আরাফাত, পল্লবী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইলিয়াস মোল্লাসহ ১৪৬ জন ও অজ্ঞাত আসামী রয়েছেন।

সোমবার সেই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের ইন্সপেক্টর এমরানুল হাসান মামলাটি সুষ্ট তদন্তের স্বার্থে রাব্বির লাশের ময়না তদন্তের প্রয়োজনে লাশ উত্তোলনের জন্য ঢাকা থেকে একটি টিম নিয়ে এখানে এসেছিলেন।



রিপোর্টার্স২৪/আরএইচ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪