এবার তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরা ঢাকার বার্ন ও প্লাস্টিক ইনস্টিটিউটে জড়ো হয়েছেন। তারা রক্ত দিতে চান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারা বলছেন, আমরা খবর শুনেছি আমাদের বাচ্চারা আহত হয়েছে, তাদের প্রচুর রক্ত দরকার। বাচ্চারা কষ্ট পাচ্ছে। এসব শুনে আমরা ছুটে এসেছি,
আগামী ২৪শে জুলাই বৃহস্পতিবার যে এইচএসসি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে।
উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে। আজ (মঙ্গলবার, ২২ জুলাই) দুপুরে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
জনগণের ভিড় নিয়ন্ত্রণের সময় সেনাবাহিনীর কর্তব্য পালনকালে কয়েকজন সেনাসদস্য কর্তৃক শিক্ষার্থীদের ওপর মারধরের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ করা হয়েছে এবং উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সেনা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে
বার্তায় বলা হয়, মাইলস্টোনের ঘটনায় কিছু সংবাদমাধ্যমে লেখা হচ্ছে, গতকালের বিমানটি একটি প্রশিক্ষণ বিমান ছিল। আমরা বিনীতভাবে আবারো জানাতে চাই, এটি ছিল যুদ্ধে ব্যবহারের উপযোগী একটি যুদ্ধবিমান। সেটি একটি প্রশিক্ষণ মিশনে অংশ নিয়েছিল।
আলী রীয়াজ বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের অনুরোধ যারা নোট অব ডিসেন্ট দিতে উৎসাহী, তারা যদি প্রয়োজন মনে করেন সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে পারেন। এটা আমাদের অনুরোধ। কিন্তু আমরা অতীত যেভাবে নোট অব ডিসেন্টের কথা বলা আছে, সেভাবে জাতীয় সনদে তারা নোট অব ডিসেন্ট দিতে পারবে।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবি সরকার মেনে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ কলেজের ৫ নম্বর ভবনের সামনে এ তথ্য জানান উপদেষ্টা।
রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত নাজিয়া। আর প্রথম শ্রেণিতে পড়ত নাফি। যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত দুজনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রাত সাড়ে ৩টায় মৃত্যু হয়েছে নাজিয়ার। তার ছোট ভাই নাফির এখনো হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।
শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে এসে তিনি তোপের মুখে পড়েন।
বিকাল সাড় ৫টায় রাজশাহীর উপশহর ঈদগাহে মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে সপুরা কবরস্থানে দাফন করা হবে
ইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে শরীরের ৭০ ভাগ পুড়ে গেছে স্কুলের ইংলিশ ভার্সনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. মাহতাব রহমানের। জ্ঞান না ফেরা ১৫ বছরের এই শিক্ষার্থী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন
ছুটির সময় তার কাজ থাকে মেইন গেটে। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের কাছে তুলে দেন তিনিই।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ফ্রেম পুরনো হলেও বিমানের ইঞ্জিন আপডেট করা হয়। ব্লাক বক্স দেখে কারণ জানা যাবে দুর্ঘটনার। গল্প বানানোর সুযোগ নেই এখানে। ক্ষতি অপূরণীয়, আর যেন না হয় সেদিকটা দেখতে হবে। ঘনবসতি এলাকায় প্রশিক্ষণের বিষয়টি নতুন করে ভেবে দেখা দেখতে হবে।
এদিকে এখনও স্কুলের সামনে ভিড় জমিয়েছেন নিহতদের স্বজন, শিক্ষার্থী ও উৎসুক জনতা। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে শিক্ষার্থীরা। নিহতদের নাম ও পরিচয় প্রকাশসহ ৬ দফা দাবি জানিয়েছে তারা।