আলোচনায় তিনি ইরানি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের হামলার তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং একে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি ইরানের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ইরানের দুটি গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরানের তেল মন্ত্রণালয়
শুক্রবার (১৪ জুন) ইসরায়েলের চালানো হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে, যা ইরানের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে তেহরান ও আশপাশের এলাকায় বহু লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে—এর মধ্যে ছিল পারমাণবিক স্থাপনা ও সরকারি দপ্তর।
ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় অনেক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ নিহত হওয়ায় পাল্টা পদক্ষেপ শুরু করেছে ইরান
এই পরিস্থিতিতে উভয় দেশের সামরিক সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, আক্রমণাত্মক শক্তি এবং কৌশলগত অবস্থান মূল্যায়ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইরানের পরমাণু প্রকল্পকে পুরোপুরি ধ্বংস করার লক্ষ্যেই দেশটিতে হামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের দূত ইয়েশিয়েল লেইটার
তেল আবিবের কেন্দ্রস্থলে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় একটি উঁচু ভবনে আঘাত হানায় ভবনটির নিচের এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
ইসরায়েলে চালানো ইরানের মিসাইল হামলায় এক ইসরায়েলি নারী নিহত হয়েছেন
ইসরায়েলের এই অভিযানের পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি আগেই অবগত ছিলেন, তবে এতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী কোনো ধরনের ভূমিকা রাখেনি বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।
ই অভিযানে ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও পারমাণবিক বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গত কয়েক ঘণ্টায় ইরান শতাধিক ড্রোন ছুড়েছে। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী সেগুলো ভূপাতিত করার জন্য কাজ করছে
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে এর চরম মূল্য দিতে হবে।’ আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানি সেনাবাহিনী ইতোমধ্যেই প্রতিক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের ওপর ইসরায়েলের হামলা নিয়ে আলোচনা করার জন্য শুক্রবার সকাল ১১টায় ওয়াশিংটন ডিসিতে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক করবেন
এই উদ্বেগের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার (১১ জুন) সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তিনি মধ্যপ্রাচ্য, বিশেষ করে ইরান থেকে মার্কিন কর্মীদের সরিয়ে নেবেন, কারণ ‘এটি বিপজ্জনক স্থান হয়ে উঠতে পারে’।