জামায়াতে ইসলামী নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, জনগণের ভোটের মাধ্যমে যদি দল ক্ষমতায় আসে, তবে সরকার গঠনের সময় শুধু দলীয় নেতাকেই নয়, দেশের যোগ্য লোকদেরও মন্ত্রী করা হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এমন অনেক লোক আছেন যারা অর্থমন্ত্রী বা স্বাস্থ্যমন্ত্রী হওয়ার মতো যোগ্য। তাই আমরা কেবল দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকব না, দেশের প্রতিভাবান মানুষকেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেব।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী দিনের বাংলাদেশ হবে শতভাগ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও জনগণের আস্থাভিত্তিক এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে বৈষম্যহীন, স্বচ্ছ ও মানবিক রাষ্ট্র, যেখানে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে ঐক্য, ন্যায়বিচার ও নিরাময়ের দর্শন।
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কথা থাকলেও একটি দলের প্রধানকে বাড়তি নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। এছাড়া জোটে না থাকলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমিরের সম্মানে জামায়াতে ইসলামী সেখানে কোনো প্রার্থী দেবে না বলেও জানান তিনি।
কুষ্টিয়া সদর-৪ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি নিজেই এই হুমকির কথা লিখেছেন।
সমসাময়িক রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করতে যমুনায় গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যমুনায় প্রবেশ করেছে। দলের অন্য সদস্যরা হলেন- নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকটি শুরু হয়। দীর্ঘ এই বৈঠক রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত চলে।
বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র মরহুম আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘোষণা দিয়েছেন ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান জেলা বিএনপির প্রভাবশালী
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপর্সন খালেদা জিয়ার সন্তান আরাফাত রহমান কোকোর নাম নিয়ে ২০২৩ সালে একটি ব্যঙ্গাত্মক ওয়াজ করেছিলেন কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা। সম্প্রতি সেই ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্যের ভিডিও নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র ও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, ইসলামের মৌলিক নীতির বিষয়ে জামায়াতে ইসলামের অস্পষ্ট অবস্থান ও রাজনৈতিক আস্থাহীনতার কারণে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় নেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। তাই যে ২৬৮ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থিতা
চরমোনাই পীর সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে’ থাকছে না। তারা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ওই জোট থেকে বেরিয়ে আলাদাভাবে করার ঘোষণা দিয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকাল সোয়া ৩টায় ঢাকার পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কা
রাজধানীর উত্তরায় আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুনে ছয়জন নিহত হওয়ার ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘১১ দলীয় জোট’ থেকে জামায়াতে ইসলামী ১৭৯ আসনে প্রার্থী দিয়ে লড়াই করবে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি লড়াই করবে ৩০টি আসনে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফত মজলিস ১০, এলডিপি ৭, এবি পার্টি ৩, নেজামে ইসলাম ২ ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ২ আসনে প্রার্থী দিয়ে লড়াই করবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি রুদ্ধদ্বার বৈঠক চলছে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এই বৈঠক এখনো অব্যাহত রয়েছে। বৈঠকে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা অংশ নিয়েছেন। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আজ রাত ৮টায় একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ১১ দলীয় জোটের ভবিষ্যৎ, রাজনৈতিক অবস্থান এবং সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা এখন শেষ ধাপে। একাধিক দিনের ধারাবাহিক বৈঠক ও আলোচনার পর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) জোটের শীর্ষ নেতারা যৌথ বৈঠকে বসছেন। এই বৈঠক শেষে বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যেই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কোন দল কতটি আসনে নির্বাচন করবে। সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে বলে সংশ্লিষ্ট নেতারা জানিয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং বিএনপি নেতা মাসুদ অরুনের পর এবার জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য গানম্যান পেলেন।