টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: ‘আওয়ামী লীগের চেয়ে বড় এই স্বৈরাচার বড়। গত এক বছরেই চব্বিশের আন্দোলনকারীদের ব্যবহারে দেশবাসী অতিষ্ঠ।’ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী এমন মন্তব্য করেন। এ সময় আজ দুপুরে ডিআরইউ থেকে ভাই লতিফ সিদ্দিকীসহ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাকে হেনস্তা ও আটকের প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে তাদের মুক্তি দাবি করেন।
বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে দেশবাসীকে এবং আন্তর্জাতিক দুনিয়াকে জানাতে চাই। ২৪-এর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিজয়, আমি স্বাধীনতার কাছাকাছি মনে করি। সেই বিজয়ের সফলতা আমি সবসময় কামনা করি। কিন্তু সেই বিজয়ীদের কার্যকলাপে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। আমি তো ভেবেছিলাম, তাদের এই বিজয় হাজার বছর চিরস্থায়ী হবে। কিন্তু এক বছরে তাদের এই বিজয় ধ্বংসের দিকে চলে যাবে এটা আমরা আশা করিনি। এটা যদি বলা হয়, তাহলে আওয়ামী স্বৈরাচারের চাইতে, আওয়ামী দোসরদের চাইতে এই স্বৈরাচারী তো অনেক বড় স্বৈরাচার। মানুষকে কথা বলতে দিচ্ছে না। মত প্রকাশ করতে দিচ্ছে না।’
লতিফ সিদ্দিকীসহ অন্যান্যদেরকে আটকের প্রতিবাদ জানিয়ে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আজকে ‘‘মঞ্চ ৭১’’ নামে একটি আলোচনা সভায় আমাদের নেতা আবদুল লতিফ সিদ্দিকী গিয়েছিলেন, ড. কামাল হোসেন প্রধান অতিথি ছিলেন, জেড আই খান পান্না তিনি আমন্ত্রিত ছিলেন। এ সময় প্রায় একশ জনের মব গিয়ে আলোচনা সভা বানচাল করে দিয়েছে। কোনও গণতান্ত্রিক দেশে কারও সভা সমাবেশ বানচাল করা কোনও সংবিধানে অথবা আইনানুগ কোনও সুযোগ নেই। তাদের এখনও ডিবি অফিসে রাখা হয়েছে। আপনারা জানেন, লতিফ ভাই অন্য ধরনের মানুষ। লতিফ সিদ্দিকীর জন্ম না হলে টাঙ্গাইলের রাজনীতির অনেক কিছুই হতো না। যেমন বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ হতো না, ঠিক তেমনি লতিফ সিদ্দিকীর জন্ম না হলে আমরা রাজনীতিতে আসতাম না। আমরা চাই, সম্মানের সঙ্গে তাকে ছেড়ে দেওয়া হোক। যদি তার নামে কোনো মামলা থাকে তাহলে আমরা আইনিভাবে লড়ব।’
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব