ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও,পঞ্চগড় ও দিনাজপুর জেলাজুড়ে সক্রিয় আন্তজেলা অজ্ঞানপার্টি ও অটোচোর চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত একটি ইজিবাইক ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার( ৮ সেপ্টেম্বর) গ্রেফতারকৃতদের ঠাকুরগাঁও বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত মাসের (৩০ আগস্ট) পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ফাড়াবাড়ি এলাকায় মো. সমিন ইসলাম নামের এক অটোচালককে অজ্ঞান করে তার ইজিবাইক ছিনতাই করে চক্রের সদস্যরা। এ ঘটনায় চালকের বাবা তাহেরুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা করলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে গতকাল রোববার প্রথমে ঠাকুরগাঁওয়ে রানীশংকৈল থানার ধুমপুকুর গ্রামের শংকরকে ঠাকুরগাঁও সদর থানার গোয়ালপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল হোতা আটোয়ারীর রফিকুল ইসলামকে মুন্সিপাড়া এলাকা থেকে ধরা হয়। তার কাছ থেকে ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়। পরবর্তীতে রুহিয়া থানা এলাকার মধুপুর থেকে সহযোগী সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ছিনতাইকৃত ইজিবাইকটি দিনাজপুরের খানসামা-রানীরবন্দর এলাকায় বিক্রি করা হয়েছে। পরে মোবাইল নাম্বারের সূত্র ধরে রবিউল ইসলামকে রানীরবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার স্বীকারোক্তিতে পুলিশ জানতে পারে, ইজিবাইকটি সোনা মিয়া ওরফে রাজুর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সৈয়দপুরের ঢেলাপীর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ছিনতাইকৃত ইজিবাইকটি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো—মো. রফিকুল ইসলাম (৪০), আটোয়ারী, পঞ্চগড় শ্রী শংকর (৪৩), রানীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও,মো. সাদ্দাম (৩০), রুহিয়া,মো. রবিউল ইসলাম (৩২), রানীরবন্দর, দিনাজপুর মো. রাজু ওরফে সোনা মিয়া (৩৮), চিরিরবন্দর, দিনাজপুর।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ সরোয়ারে আলম খান বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অজ্ঞানপার্টি ও অটোচোর চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
রিপোর্টার্স ২৪/ প্রীতিলতা