| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ এরদোয়ান ও সিসিকে চান ট্রাম্প

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ইং | ০৪:৫৪:৪৯:পূর্বাহ্ন  |  ১৬৫৮৬২৭ বার পঠিত
গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ এরদোয়ান ও সিসিকে চান ট্রাম্প

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কার্যক্রম তদারকির লক্ষ্যে গঠিতব্য ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পর্ষদে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকে অন্তর্ভুক্ত করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে তুরস্ক ও মিসরের সরকারি সূত্রগুলো আমন্ত্রণ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজা সংকট নিরসনে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ট্রাম্প একটি শান্তি পরিকল্পনা উত্থাপন করেন। পরবর্তীতে অক্টোবর মাসে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাস ওই পরিকল্পনায় নীতিগতভাবে সম্মতি জানায়। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসনের ওপর নজরদারি ও দিকনির্দেশনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই ‘শান্তি পর্ষদকে’।

গত শুক্রবার হোয়াইট হাউস শান্তি পর্ষদের প্রাথমিক সদস্যদের তালিকা প্রকাশ করে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার, মার্কিন ধনকুবের মার্ক রোয়ান, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা রবার্ট গ্যাব্রিয়েল এবং জাতিসংঘের সাবেক দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ। পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে শান্তি পর্ষদের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে যোগ দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি জানান, প্রেসিডেন্ট আল-সিসির কাছে পাঠানো আমন্ত্রণটি বর্তমানে সরকার গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে উপত্যকাটি। গাজার প্রায় পুরো জনগোষ্ঠী বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং খাদ্য, চিকিৎসা ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও গবেষকরা এ পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যা দিলেও ইসরায়েল দাবি করে আসছে, হামাসের হামলার জবাব হিসেবেই তারা এই সামরিক অভিযান চালাচ্ছে।

গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই শান্তি পর্ষদ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্ষদের তত্ত্বাবধানে গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসন প্রথম পর্যায়ে জরুরি ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে জানানো হয়েছে। তবে শান্তি পর্ষদ গঠনের ঘোষণা আসার পরও গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায়, এই উদ্যোগ আদৌ কতটা কার্যকর হবে—তা নিয়ে ফিলিস্তিনিদের একাংশের মধ্যে সংশয় ও উদ্বেগ রয়ে গেছে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম 

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪