| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সীমিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতিতে যুদ্ধ এড়ানো যাচ্ছে কি?

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ০৪, ২০২৬ ইং | ২২:০৬:৪৬:অপরাহ্ন  |  ৫৫৪৯৫ বার পঠিত
সীমিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতিতে যুদ্ধ এড়ানো যাচ্ছে কি?
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তেহরান থেকে খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সংলাপ এখন কার্যকরভাবে চলছে। তবে মূল প্রশ্ন এখন হলো,এই আলোচনা কি যথেষ্ট দ্রুত অগ্রসর হতে পারছে যাতে সংঘর্ষের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়?

একজন ইরানি কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, এই সপ্তাহের শেষের দিকে ওমানের একটি কেন্দ্রীয় স্থানে অনুষ্ঠিত হবে পরবর্তী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা। তবে আপাতত আঞ্চলিক কোনো দেশ আলোচনায় সরাসরি অংশ নেবে না। ইরান জানাচ্ছে, বেশি অংশগ্রহণকারীর কারণে আলোচনার ফোকাস হারিয়ে রাজনৈতিক মঞ্চের মতো হয়ে যেতে পারে। তাই প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় কাঠামো স্থিতিশীল হওয়া প্রয়োজন।

অবশ্য   আঞ্চলিক দেশগুলোর দৃষ্টি ভিন্ন। তারা এখন সরাসরি আলোচনায় অংশ নিচ্ছে না, বরং ভবিষ্যতের চুক্তির নিশ্চয়তা দেওয়ার সম্ভাব্য ভূমিকা নিতে চায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির সময় আঞ্চলিক দেশগুলো মূলত পর্যবেক্ষক ছিলেন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি সামরিক, এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর স্বার্থ সরাসরি প্রভাবিত হচ্ছে।

গত কয়েকদিনে কূটনীতি জোরদার হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানি মস্কো সফর করেছেন। সেখানে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস অরাঘচি ইস্তাম্বুলে বৈঠকে অংশ নেন। কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন জাসিম আল থানি শেষ সপ্তাহান্তে তেহরান সফর করেন। এরপর লারিজানি জানান, একটি কাঠামোবদ্ধ আলোচনার রূপরেখা তৈরি হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র এখনও অনিশ্চয়তা বজায় রাখছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেন, ইরান আমাদের সঙ্গে কথা বলছে, আমরা দেখব কি করতে পারি, নাহলে দেখব কী হবে। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতির দরজা খোলা রেখেছে, কিন্তু চাপও বজায় রাখছে।

যুদ্ধের ঝুঁকি সম্পূর্ণভাবে শেষ হয়নি, তবে তা সাময়িকভাবে কমে এসেছে। এ পর্যায়ে ইরানের উচ্চ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের হ্রাস বা স্থানান্তর এমন মূল বিরোধ সমাধান করতে পারছে না। মূল ইস্যু এখনও রয়েছে; ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রোগ্রাম এবং আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলো কাঠামোগত ছাড় বিনিময়ে কাঠামোগত নিশ্চয়তা। অন্যান্য বিষয় যেমন ফরম্যাট, স্থান বা অংশগ্রহণ এই পর্যায়ে দ্বিতীয়িক।

বর্তমানে কূটনীতি চলছে, যুদ্ধ স্থগিত, এবং আলোচনার সময়সীমা এখনও খোলা। তবে চূড়ান্ত ফলাফল নির্ভর করছে বাস্তব পদক্ষেপ এবং সম্মত কাঠামোর উপর।

মূল বিষয়গুলো: পরবর্তী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে ওমানে। ইরান আপাতত আঞ্চলিক দেশগুলোকে আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছে না।আঞ্চলিক দেশগুলো  অবশ্য   ভবিষ্যতের নিশ্চয়তার দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। আলোচনার লক্ষ্য একটি বিস্তৃত সমঝোতার রোডম্যাপ। প্রধান ইস্যু: ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা।

যুদ্ধের ঝুঁকি কমেছে, তবে চূড়ান্ত সাফল্য নির্ভর করছে বাস্তব পদক্ষেপের ওপর।আল জাজিরা

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪