| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জনসভায় বাধা ও হামলায় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২৬ ইং | ১৭:২৫:৪৮:অপরাহ্ন  |  ৯৪৩৯৯৪ বার পঠিত
জনসভায় বাধা ও হামলায় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

বরগুনা প্রতিনিধি : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরগুনা-২ (বেতাগী–বামনা–পাথরঘাটা) আসনে নির্বাচনী পরিবেশ পরিকল্পিতভাবে বিনষ্ট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা. সুলতান আহম্মেদ। 

জনসভায় বাধা, দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেলে বরগুনা জেলা জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত (৯ ফেব্রুয়ারি) বরগুনা-২ আসনে দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে পাথরঘাটা উপজেলা শহরের কেএম লতিফ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে একটি নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করা হয়।

জনসভায় ব্যাপক জনসমাগম দেখে বিরোধী পক্ষ ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নুরুল ইসলাম মনি ও তাঁর নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন স্থানে সভাগামী সাধারণ জনগণকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ডা. সুলতান আহম্মেদ অভিযোগ করে বলেন, পাথরঘাটা পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ব্রিজের গোড়া, ফেরিঘাট, বাজার, বাসস্ট্যান্ড ও সড়ক মোড়ে দলবদ্ধভাবে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার হিরু গুরুতর আহত হন। এ সময় দায়িত্ব পালনকালে একাধিক সাংবাদিকও বাধার মুখে পড়েন।

তিনি আরও বলেন, হামলাকারীরা একাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে, পাঁচটির বেশি মূল্যবান মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত ভাড়াকৃত অটোরিকশা ভাঙচুর করে। এসব ঘটনার মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে, যা নির্বাচনী আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন।

জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার পরপরই পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ বা হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। এতে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং জনসভা কার্যত বিঘ্নিত হয়।

তিনি আরও দাবি করেন, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে পরদিন ধানের শীষের নেতাকর্মীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। একই দিনে সদর ইউনিয়নের পদ্মা গুচ্ছ গ্রামে ধানের শীষের প্রার্থী নিজে উপস্থিত থেকে সভার নামে প্রকাশ্যে অর্থ বিতরণ করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রশাসন যদি অবিলম্বে এসব ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে বরগুনা-২ আসনের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার তাসলিমা আক্তার বলেন, আমরা এই ঘটনায় মামলা গ্রহণ করেছি এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ সঠিক নয়।

রিপোর্টার্স২৪/মিতু 


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪