ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় কোচিং থেকে ফেরার পথে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অপহরণের আট দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় আজ রোববার ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা মো. সবুজ ইসলাম।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, সালন্দর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী শারমিন আক্তার (১৪) গত ২৮ মার্চ সকালে বাড়ি থেকে বিদ্যাবাড়ী কোচিং সেন্টারে যায়। কোচিং শেষে সকাল ৯টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে সালন্দর ফিড মিলপাড়া এলাকায় পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা একটি মাইক্রোবাস তার পথরোধ করে। এ সময় সালন্দর মোন্নাপাড়া এলাকার মো. মামুনের ছেলে নাজমুল হক ওরফে আড়িয়ান (২০) তার সহযোগীদের সহায়তায় শারমিনকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর থেকে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে শারমিনের কোনো সন্ধান না পেয়ে ওই দিনই সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা এবং নিজেদের অনুসন্ধানে অপহরণকারীর পরিচয় নিশ্চিত হয়ে আজ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার এজাহারে নাজমুল হক আড়িয়ানসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১-২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী বাবা মো. সবুজ ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমার মেয়েকে অপহরণের পর আসামির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে। শেষ পর্যন্ত মেয়েকে ফিরে না পেয়ে আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি।”
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, স্কুলছাত্রী নিখোঁজের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন