ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার উত্তর ঠাকুরগাঁও কান্দর পাড়া এলাকায় বিথী রানী (২৩) নামে এক গৃহবধূ গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত বিথী রানী সদর উপজেলার আরাজী দক্ষিণ বটিনা গ্রামের মৃত হরে কৃষ্ণ রায়ের মেয়ে। প্রায় ছয় বছর আগে একই উপজেলার উত্তর ঠাকুরগাঁও কান্দর পাড়া গ্রামের তাপস চন্দ্র বর্মনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। তাঁদের ঘরে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
পারিবারিক ও থানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বিথী রানীর স্বামী তাপস চন্দ্র বর্মন প্রতিদিনের মতো বাড়ির পাশের একটি চায়ের দোকানে যান। কিছুক্ষণ পর বিথী বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেছেন বলে স্বামীকে মুঠোফোনে জানান। খবর পেয়ে স্বামী দ্রুত বাড়িতে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, ঠাকুরগাঁওয়ে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল তিনটার দিকে বিথীর মৃত্যু হয়।
নিহতের ছোট ভাই টিটু রায় জানান, বিয়ের পর থেকে তাঁর বোন ও দুলাভাই সুখে-শান্তিতেই বসবাস করে আসছিলেন। তবে ঠিক কী কারণে বিথী আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্টার্স২৪/মিতু