ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ইরানে নতুন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মতো অত্যাধুনিক অস্ত্র পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একাধিক সূত্রের বরাতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সিএনএন।মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে যে, চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে নতুন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। সিএনএন-এর একটি বিশেষ প্রতিবেদন অনুসারে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি মধ্যস্থতায় চীনের ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও এই ঘটনাটি ঘটছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিকল্পিত চালানে কাঁধে বহনযোগ্য বিমান-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ম্যানপ্যাড নামে পরিচিত এবং পাঁচ সপ্তাহব্যাপী এই সংঘাতের সময় নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া মার্কিন সামরিক বিমানের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
প্রতিবেদনে সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে, চীন এই চালানগুলোর উৎস গোপন করার জন্য তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে পাঠানোর চেষ্টা করছে।
ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের একজন মুখপাত্র এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করে সেগুলোকে অসত্য বলে অভিহিত করেছেন। মুখপাত্র বলেন, চীন এই সংঘাতের কোনো পক্ষকেই কখনো অস্ত্র সরবরাহ করেএি তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ভিত্তিহীন অভিযোগ না করতে বা চাঞ্চল্যকর খবর তৈরিতে লিপ্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।প্রতিবেদনে সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে, চীন এই চালানগুলোর উৎস গোপন করার জন্য তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে পাঠানোর চেষ্টা করছে।
প্রতিবেদনে একটি গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে, চীন প্রকাশ্যে এই সংঘাতে প্রবেশ করার মধ্যে কোনো কৌশলগত মূল্য দেখে না, বরং ইরানের বন্ধু হয়ে থাকতে চায়।
এভাবে, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর তারা দায় অস্বীকার করার সুযোগ বজায় রাখতে পারবে।
চীনারা এও যুক্তি দিতে পারে যে, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো আক্রমণাত্মক নয় বরং প্রতিরক্ষামূলক, যা তাদেরকে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে ইরানকে রাশিয়ার সমর্থন থেকে আলাদা করে।
সূত্র: সিএনএন
রিপোর্টার্স২৪/এম এইচ