রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় সিসি ক্যামেরা দিতে বলেছি। কারণ শিক্ষকরা ক্লাসে থাকে না।’ শুক্রবার দুপুরে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার উন্নয়ন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেটিংস বাড়াতে পারবেন যেসব ভিসিরা তারা থাকবেন। কীভাবে তারা শিক্ষার উন্নয়ন করেন তার খতিয়ান আমি তৈরি করছি। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে কাজ করছে সেসবের রিপোর্ট নেওয়া হচ্ছে। আমি সবকিছুই দেখছি। ইউজিসির রিপোর্টও নেব, আমার রিপোর্টও নেব।
তিনি বলেন, ঢাকার বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভালো করার সুযোগ রয়েছে। যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ঢাকায় যাওয়ার প্রয়োজন নেই।
আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, আমাকে কোরআন শরিফ অবমাননার কথা বলা হয়েছে। আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা একটি বিষয় না পড়ার কারণে সঠিকভাবে কোরআন শরিফ পড়তে পারেন না। ৯ হাজার ইসলামী শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছি না ওই বিষয় না পড়ার জন্য। এটা কওমিকে দেওয়া যাচ্ছে না নীতিমালার কারণে। কিন্তু সেটাকে অপব্যাখ্যা দেওয়া হলো কোরআন শরিফকে অবমাননা করা হয়েছে। এই যে কিছু বট বাহিনী আছে। আমার সাথে এগুলো করে কোনো লাভ হবে না। আমার কাজ আমাকে করতেই হবে, শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন আনতেই হবে। সরকার বাজেটের কথা বলেছে, আমি বাজেট নিতে পারছি না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নের খাতে একটি টাকা চাওয়া হয়নি। উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আমরা অত্যন্ত দুর্বল।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শফিকুল ইসলাম শিকদার, ট্রোজারার প্রফেসর ড. এম জাহাঙ্গীর কবির।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম