| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন, পাল্টা চ্যালেঞ্জ রাবির সাবেক ভিসির

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০৩, ২০২৬ ইং | ১৮:০৬:১৯:অপরাহ্ন  |  ২৩৬ বার পঠিত
দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন, পাল্টা চ্যালেঞ্জ রাবির সাবেক ভিসির

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সালেহ্ হাসান নকীবের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন এক ‘ছাত্রনেতা’। এ অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি বলেছেন, শতকোটি তো দূরের কথা এক পয়সার দুর্নীতির প্রমাণও কেউ দেখাতে পারবে না। 

রোববার (৩ মে) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে কেয়ামত পর্যন্ত সময় দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, প্রায় মাসখানেক ধরেই আমাকে উসকে দেয়ার জন্য একটা সম্মিলিত প্রয়াস চলছে। আমার একটা দুর্বলতা হচ্ছে, আমার মেজাজ। এদের অনেকগুলো লক্ষ্যের ভেতর একটা হচ্ছে- যেন আমি মেজাজ হারাই। সেক্ষেত্রে আরও কিছু নোংরামির সুযোগ হবে।

সাবেক উপাচার্য লেখেন, যাইহোক, শুধু একটা কথাই বলতে চাই, আমার মেয়াদে প্রতিটি শিক্ষক নিয়োগ বোর্ডে আমি ছিলাম। আমি খুবই খুশি হব যদি প্রতিটি নিয়োগ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে একটা চুলচেরা তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ করা হয়। বর্তমানে যারা দায়িত্বে আছেন, তারা এটা করতেই পারেন। চেষ্টা করে দেখুক না কেন, সত্যিই কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না?

তিনি আরও লেখেন, প্রফেসর এ কে এম আজহারুল ইসলামের ইমেরিটাস প্রফেসর নিয়ে যে নোংরামিটা চলছে তা নিয়ে লিখতে রুচিতে বাঁধে। যারা এই ইমেরিটাস প্রফেসরশিপের পক্ষে লিখছেন, এমনকি তারাও গুরুত্বপূর্ণ একটা পয়েন্ট মিস করছেন। বলা হচ্ছে, উপাচার্য এই নিয়োগ দিয়েছেন। সম্পূর্ণ ভুল। উপাচার্যের ক্ষমতা নেই ইমেরিটাস প্রফেসর হিসেবে কাউকে নিয়োগ দেয়ার। একটা কঠিন নীতিমালার আলোকে অনেকগুলো ধাপ পার করে সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি ধাপেও আমার সংশ্লিষ্টতা ছিল না। সংশ্লিষ্টতা ছিল, পারলে দেখাক। কেয়ামত পর্যন্ত সময় দিলাম। প্রফেসর এ কে এম আজহারুল ইসলামের ইমেরিটাস প্রফেসরশিপের প্রক্রিয়া পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ শুরু করেছিল ২০১৩ সালে। চিঠি সংযুক্ত করে দিলাম।

অধ্যাপক নকীব লিখেছেন, ৯০ শতাংশ জামায়াতি, এই কথা আগেও শুনেছি। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে তারা কারা। দেখাতে পারলে মেনে নেব, দেখাতে না পারলে বলব অনর্থক দিবানিশি মিথ্যা না বলাই ভালো। কোনো দল, কোনো নেতা একটি মুহূর্তের জন্যও আমার কাছে প্রশ্রয় পায়নি। কাউকে স্পেইস দিইনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে এটা নতুন ঘটনা। হজম তখনো হয়নি। এখনো না পাওয়ার বেদনা। এখানে থামছি। প্রতিটি ইস্যু নিয়ে লিখব, একটা একটা করে।

সাবেক এ উপাচার্য আরও লেখেন, শয়তানি একটি মুহূর্তের জন্যও থেমে নেই, এইমাত্র উপ-উপাচার্যের একটি বয়ানের ফটোকার্ড নজরে আসল। প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন খান একজন সত্যনিষ্ঠ মানুষ। এমন কোনো কথাই তিনি বলেননি। এরা মিথ্যা এবং নোংরামির প্রতিযোগিতায় নেমেছে। এই দায়িত্বে না আসলে এত কদর্যতা কল্পনাও করতে পারতাম না।

রিপোর্টার্স২৪/মিতু  

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪