স্পোর্টস ডেস্ক: দারুণ ফুটবল খেলেও প্রথমার্ধে তৈরি করা সুযোগগুলো কাজে লাগাতে না পারার আক্ষেপে পুড়তে হচ্ছে সেনেগালকে। তবে বিরতির পর ম্যাচের চেহারা বদলে দেয় ফ্রান্স। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ছন্দে ফেরে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।
৬৬ মিনিটে তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ৮২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বদলি খেলোয়াড় ব্র্যাডলি বারকোলা। মাঠে নেমেই দারুণ প্রভাব রাখেন তিনি।
দ্বিতীয় গোলটি আসে অসাধারণ এক আক্রমণ থেকে। সেনেগালের অর্ধের ঠিক ভেতর থেকে আদ্রিয়েন রাবিওর নিখুঁত থ্রু পাস ডান দিকের ফাঁকা জায়গায় ছুটে যাওয়া বারকোলার সামনে পৌঁছে যায়। পিএসজির এই ফরোয়ার্ড ক্যালিদু কুলিবালির আগে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গোলরক্ষক এদুয়ার মেন্দিকে পরাস্ত করে নিখুঁত ফিনিশে বল জালে জড়িয়ে দেন।
এই গোলের মাধ্যমে ম্যাচে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে ফ্রান্স। প্রথমার্ধে চাপের মুখে থাকলেও বিরতির পর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে তারা নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে তিন পয়েন্টের পথে অনেকটাই এগিয়ে যায়।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি