স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়ে আবু সাদিক কায়েম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি পদে থাকার নৈতিকতা হারিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সাদিক কায়েম জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ছিলেন। পরে তিনি এ সংগঠনের প্রার্থী হিসেবে ডাকসু ভিপি পদে নির্বাচন করে জয়ী হন।
বুধবার (১৫ জুলাই) তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সে প্রসঙ্গটি টেনে রাশেদ খাঁন বলেন, জুলাইয়ের ৯ দফার মধ্যে ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের জন্য চাপ দেয় শিবির। কিন্তু আব্দুল কাদের সে বিষয়ে সম্মত হয়নি।
পরবর্তীতে আলোচনার ভিত্তিতে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়ে দফা সংযুক্ত করা হয়। অথচ সেই শিবির এখন সবচেয়ে বড় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র সংগঠন। জাতীয় নির্বাচনের সময় ডাকসুর বর্তমান ভিপিসহ ডাকসুর অধিকাংশ নেতারা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে খ্যাপ মেরেছে। এখন আবার ডাকসুর ভিপি থাকা অবস্থায় সাদিক কায়েম শিবির থেকে পদত্যাগ করে জামায়াতে যোগদান করেছে এবং জামায়াতের পক্ষ থেকে দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হয়েছে! অথচ জুলাইয়ের সময় ও ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে তারা লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ওয়াদা করেছিল।
‘কিন্তু এখন তারা ওয়াদা ভঙ্গ করে প্রকৃতপক্ষে শহীদের রক্তের সাথে বেইমানি করেছে। সাদিক কায়েমও জামায়াতে যোগদান করে ডাকসু ভিপি থাকার নৈতিকতা হারিয়েছে। সাদিক কায়েমের উচিত অনতিবিলম্বে শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণার জন্য ক্ষমা চাওয়া ও পদত্যাগ করা।’
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব