| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নথি জালিয়াতি ও অবৈধ বিয়ের পর চীনা নাগরিককে এলাকা পার করল পুলিশ

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১৮, ২০২৬ ইং | ০৮:৫৫:১৯:পূর্বাহ্ন  |  ৬৭৬ বার পঠিত
নথি জালিয়াতি ও অবৈধ বিয়ের পর চীনা নাগরিককে এলাকা পার করল পুলিশ

মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুরে আলোচিত চীনা নাগরিক জাং ডং শেং ওরফে মোহাম্মদ আলীর বিয়ে, ধর্মান্তর ও পরিচয়সংক্রান্ত নথিপত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠার মধ্যেই পুলিশের সহযোগিতায় তিনি ও তাঁর দাবি করা স্ত্রী কেয়া খাতুন এলাকা ছেড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্বস্ত সূত্র ও প্রতিবেদকের হাতে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পুলিশের পোশাক পরিহিত সদস্য ও সেফটি ভেস্ট পরা আরেক ব্যক্তি ওই দম্পতিকে মেহেরপুর শহরের পুরাতন পোস্ট অফিসপাড়ার একটি ভাড়া বাসা থেকে বের করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে দেন। পরে গাড়িটি মেহেরপুর ত্যাগ করে।

এর আগে কেয়া ও তাঁর দাবি করা স্বামী জাং ডং শেং শহরের ঘোষপাড়ায় কেয়ার বাবার বাড়িতে যান। পরে সাংবাদিকরা তাঁদের খুঁজে বের করে বিয়ে, ধর্মান্তর ও পরিচয়সংক্রান্ত হলফনামা, ম্যারেজ সার্টিফিকেট ও নিকাহনামাসহ বিভিন্ন নথি পর্যালোচনা করলে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে।

হলফনামায় ব্যবহৃত নাম, সিল ও স্বাক্ষর নিজের নয় বলে দাবি করেছেন মেহেরপুর জজ আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রুতশোভা মণ্ডল। তাঁর ভাষ্য, গত তিন বছরে তিনি কোনো বিদেশি নাগরিকের বিয়ে-সংক্রান্ত হলফনামা সম্পাদন করেননি। ফলে নথি জালিয়াতির আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে সদর উপজেলার নিকাহ রেজিস্ট্রার আব্দুল মাবুদ নান্নু জানান, বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বাংলাদেশির বিয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) বাধ্যতামূলক। তবে ওই দম্পতি এমন কোনো নথি দেখাতে পারেননি। চীনে অবস্থানের দাবি করলেও পাসপোর্ট ও ভিসাও প্রদর্শন করতে পারেননি।

ভবনের কেয়ারটেকার বেল্টু জানান, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার পর সদর থানার এসআই আনিসুর রহমান এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরে একটি ভাড়া গাড়ির ব্যবস্থা করে দেন।

এসআই আনিসুর রহমান বলেন, চাঁদা দাবির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। নিরাপত্তার কারণে ওই দম্পতি এলাকা ছাড়তে চাইলে তিনি শুধু গাড়ির ব্যবস্থা করে দেন। অন্যদিকে এসআই অরুণ জানান, তিনি কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য গেলেও বিষয়টি মূলত ডিএসবির তত্ত্বাবধানে ছিল। নথি জাল হলে সেটি অবশ্যই গুরুতর অপরাধ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে নথিপত্রের সত্যতা ও বিয়ের বৈধতা নিয়ে প্রশ্নের নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই ওই দম্পতিকে এলাকা ছাড়তে সহযোগিতা করার কারণ এবং বর্তমানে তাঁদের অবস্থান সম্পর্কে পুলিশ কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খানের বক্তব্য চাওয়া হলেও তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪