| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও কি গোল্ডেন বুটে অবদান রাখে?

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১৯, ২০২৬ ইং | ০৫:৩৪:১৪:পূর্বাহ্ন  |  ৩০৭১ বার পঠিত
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও কি গোল্ডেন বুটে অবদান রাখে?

স্পোর্টস ডেস্ক: চলতি ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি কার ঘরে যাচ্ছে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উন্মাদনার শেষ নেই। তবে শিরোপার পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার 'গোল্ডেন বুট'-এর দিকেও। সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, হ্যারি কেইন কিংবা জুড বেলিংহ্যামদের মতো তারকাদের সামনে শেষ পর্যন্ত সুযোগ ছিলো। এদের মধ্যে শুধূ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি নিজের করে নেওয়ার সুযোগটুকু টিকিয়ে রেখেছেন এমবাপে। কারণ ফুটবল বিশ্বের নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও গোল্ডেন বুটের মূল লড়াইয়ে যোগ হয়।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে চলা এই টুর্নামেন্টের শেষ দুটি ম্যাচের আগে সাতজন খেলোয়াড় পাঁচ বা তার বেশি গোল করে রেসে টিকে আছেন। আজ রোববারের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ফুটবল বিশ্বের দুই পরাশক্তি ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স। আর এর ঠিক পরের দিন রবিবারের মেগা ফাইনালে ট্রফির লড়াইয়ে নামবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। 

৮টি করে গোল নিয়ে তালিকার যৌথ শীর্ষে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে থাকলেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের পরের সমীকরণ অনুযায়ী, ১০ গোল করে শীর্ষে রয়েছেন এমবাপ্পে। যদি এই ম্যাচে সে গোল না করতে পারতো তাহলে একটি অ্যাসিস্ট বেশি থাকায় টাইব্রেকার নিয়মে এগিয়ে ছিলেন আর্জেন্টাইন জাদুকর মেসি। তাদের ঠিক পেছনেই সাত গোল নিয়ে ছিলেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড, কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে তার দেশ বিদায় নেওয়ায় গোলসংখ্যা বাড়ানোর আর কোনো সুযোগ নেই তার। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনের গোল সংখ্যা ছয় ও জুড বেলিংহ্যামের গোলসংখ্যা সাত এবং ফ্রান্সের দেম্বেলের ছয় ও স্পেনের ওইয়ারজাবাল করেছেন পাঁচটি গোল।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে অবশ্য তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোল দিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার নজির কম নয়। এর আগে সাতজন গোল্ডেন বুট বিজয়ী এই ম্যাচে গোল করার গৌরব অর্জন করেছেন, যার মধ্যে চারজন ফুটবলার তো এই ম্যাচের গোলের কল্যাণেই পুরস্কারটি নিজের করে নিতে পেরেছিলেন।

২০১০ সালে জার্মানির থমাস মুলার, ১৯৯৮ সালে ক্রোয়েশিয়ার ডাভর সুকের, ১৯৯০ সালে ইতালির সালভাতোরে শিলাচি এবং ১৯৩৮ সালে ব্রাজিলের লিওনিদাস এই তালিকার অন্যতম উদাহরণ, যাদের ভাগ্য বদলে দিয়েছিল সান্ত্বনার এই ম্যাচটি। এ ছাড়া পোল্যান্ডের গ্রেগর্জ লাতো, পর্তুগালের কিংবদন্তি ইউসেবিও এবং ফ্রান্সের জ্যঁ ফন্তেইনও এই ম্যাচে গোল করেছিলেন, তবে ওই গোলগুলো না পেলেও তারা নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়েই গোল্ডেন বুট জিততেন।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪