| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

৫ বছরের মধ্যে ছানিজনিত অন্ধত্ব নির্মূলের আশাবাদ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ২৩, ২০২৬ ইং | ১২:০৮:৩২:অপরাহ্ন  |  ১১৫২ বার পঠিত
৫ বছরের মধ্যে ছানিজনিত অন্ধত্ব নির্মূলের আশাবাদ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

স্টাফ রিপোর্টার: আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ছানিজনিত অন্ধত্ব (ক্যাটারাক্ট ব্লাইন্ডনেস) সম্পূর্ণ নির্মূলের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, সরকারি, বেসরকারি ও এনজিও খাতের সমন্বিত উদ্যোগে একটি জাতীয় রোডম্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে দেশের প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে উন্নত চক্ষুসেবা: দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা হ্রাস এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধে কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. এম এ মুহিত বলেন, দেশে সরকারি, বেসরকারি ও এনজিও—তিন খাতেই চক্ষু চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে সমন্বিত তথ্যভান্ডার ও অভিন্ন রিপোর্টিং ব্যবস্থা না থাকায় একটি জাতীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি পার্সপেক্টিভ প্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি জানান, পরিকল্পনার প্রথম বছরেই জেলা হাসপাতালগুলোর চক্ষু চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা মূল্যায়ন করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন জনবল নিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আই কেয়ার ইউনিট শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশুদের চোখের সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করে স্কুলভিত্তিক স্ক্রিনিং কার্যক্রম ও প্রয়োজনীয় চশমা সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে কলকারখানা, অফিস ও অন্যান্য কর্মস্থলে কর্মজীবী মানুষের চোখের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। এতে কর্মক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, বয়স্ক মানুষের জন্য দেশব্যাপী ব্যাপকভিত্তিক ক্যাটারাক্ট সার্জারি কর্মসূচি চালু করা হবে। প্রতিবছর কয়েক লাখ সফল ছানি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশকে ছানিজনিত অন্ধত্বমুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ড. মুহিত বলেন, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথিসহ বিভিন্ন জটিল চক্ষুরোগ শনাক্ত ও চিকিৎসায় এআইভিত্তিক স্ক্রিনিং প্রযুক্তি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে দ্রুত ও কার্যকর সেবা দেওয়া সম্ভব হবে এবং উন্নত চক্ষু চিকিৎসা কেবল শহরকেন্দ্রিক না থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছেও পৌঁছে যাবে।

তিনি চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

কর্মশালায় জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. এ.এস.এম.এম., সহযোগী অধ্যাপক (অফথালমোলজি) ড. সৈয়দ মেহবুব উল কাদির, এআরকে ফাউন্ডেশন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধিরা বক্তব্য ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে দেশের বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসক, গবেষক, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪