স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে। প্রথম ১০ মিনিটেই সাতটি ফাউল হলেও কোনো দলই গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি।
শুরুর দিকে বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে ইংল্যান্ড। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের প্রবল সমর্থনের মধ্যেও ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায় থমাস টুখেলের দল।
চতুর্থ মিনিটে মাঝমাঠে এনজো ফার্নান্দেজের আঘাতে মাথায় চোট পান ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসন। রেফারি ইংল্যান্ডকে ফ্রি-কিক দিলেও কোনো কার্ড দেখাননি।
ষষ্ঠ মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে দারুণ গতিতে উঠে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন জেড স্পেন্স। তবে শেষ মুহূর্তে ক্লাব সতীর্থ ক্রিস্তিয়ান রোমেরো তার আক্রমণ ভণ্ডুল করে দেন।
সপ্তম মিনিটে ইংল্যান্ড ম্যাচের প্রথম কর্নার পেলেও ডেকলান রাইসের কর্নার থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো সুযোগ তৈরি হয়নি। এরপর জন স্টোনস কর্নারের সময় জিওভানি সিমিওনের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনায় পেনাল্টির আবেদন করলেও তা নাকচ করে দেন যুক্তরাষ্ট্রের রেফারি ইসমাইল এলফাথ।
ম্যাচের ১০ মিনিট পার হতেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে শারীরিক লড়াই আরও তীব্র হয়ে ওঠে। অ্যান্ডারসন ও এনজো ফার্নান্দেজের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ বাকবিতণ্ডাও দেখা যায়। ম্যাচের শুরুতেই পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে যেকোনো সময় লাল কার্ড বের হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে পরিসংখ্যানও ইংল্যান্ডের সামনে নতুন ইতিহাস গড়ার সম্ভাবনার কথা বলছে। বিশ্বকাপের একই নকআউট পর্বে স্বাগতিক দেশ এবং বর্তমান চ্যাম্পিয়ন—উভয় দলকে বিদায় করে সেমিফাইনাল থেকে ফাইনালে ওঠার নজির এখনো নেই। আর্জেন্টিনাকে হারাতে পারলে সেই ইতিহাস গড়বে ইংল্যান্ড।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি