| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ১২, ২০২৬ ইং | ১৪:৫৪:০৩:অপরাহ্ন  |  ১৭২৩ বার পঠিত
সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চলমান সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, আজ বুধবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্যাস পর্যাপ্ত সরবরাহ করা না গেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে সংকট তৈরি হবে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার একটি কৌশল নিয়েছে, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর করা হয়েছে। এর সুফল আজ সন্ধ্যা থেকে পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন তিনি।

গ্যাস সরবরাহের সংকটের কারণ তুলে ধরে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে কার্গো খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে এক্সিলারেট টার্মিনালটি বর্তমানে আংশিক সক্ষমতায় চলছে।

তিনি বলেন, এক্সিলারেট টার্মিনালকে পুরো সক্ষমতায় চালাতে হলে আবার প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য এটি বন্ধ রাখতে হবে। বিষয়টি সরকারের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং বুধবার দুপুরেও প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কখন টার্মিনালটি বন্ধ রাখলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সবচেয়ে কম হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।

চলমান পরিস্থিতিতে মানুষের ভোগান্তির কথা স্বীকার করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘মানুষের ভোগান্তি চরমে, এটি নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই।’ এ কারণে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে অনেক সময় কারও কিছু করার থাকে না। প্রকৃতির কাছে মানুষকে অসহায় হয়ে পড়তে হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস করা সম্ভব হবে এবং তখন গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এলএনজি সরবরাহ বাড়াতে বিকল্প উৎসের সন্ধানেও সরকার কাজ করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং সরকারের একটি প্রতিনিধিদলও সেখানে গেছে। মালয়েশিয়ার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, মালয়েশিয়া থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাওয়া যেতে পারে। এটিকে মধ্যমেয়াদি সমাধান হিসেবে দেখছে সরকার।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, হাতে থাকা সব বিকল্প নিয়েই সরকার কাজ করছে। ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও এলএনজি সরবরাহের বিষয়ে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

তবে সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি কবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয় বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। চেষ্টার কোনো ঘাটতি নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

বর্তমান সংকটের জন্য আগের সরকারগুলোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতিকে দায়ী করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারগুলো মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকে না গিয়ে তাৎক্ষণিক সমাধানের পথ বেছে নিয়েছিল। ফলে একপর্যায়ে হঠাৎ করে এমন সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো না কোনো সময়ে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে গ্রীষ্মকালেই এমন সংকট দেখা দিয়েছে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪