| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পাটপণ্যের উৎপাদন বাড়ানো গেলে পাটের দাম বাড়বে : বাণিজ্যমন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ১৭, ২০২৬ ইং | ১২:৩৭:৫২:অপরাহ্ন  |  ৯৪৪ বার পঠিত
পাটপণ্যের উৎপাদন বাড়ানো গেলে পাটের দাম বাড়বে : বাণিজ্যমন্ত্রী

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পাটপণ্যের উৎপাদন বাড়ানো গেলে দেশের বাজারে পাটের দাম বাড়বে এবং একই সঙ্গে কৃষকেরাও পাট চাষে আরও উৎসাহিত হবেন বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর জেডিপিসি মিলনায়তনে আয়োজিত চীন-বাংলাদেশ টেক্সটাইল অ্যান্ড ফ্যাশন কনফারেন্সে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পাট বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্য। দেশে পাটের উৎপাদন ও পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে এর চাহিদা বৃদ্ধি করা গেলে পাট চাষিরা ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পাটপণ্যের উৎপাদন ও বাজার সম্প্রসারণ করা গেলে এ খাত আরও শক্তিশালী হবে।

তিনি বলেন, পাটপণ্যের উৎপাদন বাড়লে পাটের চাহিদাও বাড়বে। এর ফলে কৃষক পাটের ভালো দাম পাবেন এবং পাট চাষে তাদের আগ্রহ আরও বাড়বে। একই সঙ্গে পাটভিত্তিক শিল্পের সম্প্রসারণ দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

পাটমন্ত্রী জানান, চীনের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও ফ্যাশন খাতকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করছে সরকার। দুই দেশের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের এই খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার সুযোগ রয়েছে।

সম্মেলনে তিনি চীনে বাংলাদেশের পাট রপ্তানি বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান। চীনের বিশাল বাজারকে কাজে লাগিয়ে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও শিল্প সহযোগিতা আরও বাড়ানো গেলে বাংলাদেশের পাট, টেক্সটাইল ও ফ্যাশন খাত নতুন বাজার ও বিনিয়োগের সুযোগ পেতে পারে। এ ক্ষেত্রে দুই দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের অভিজ্ঞতা এবং সক্ষমতাকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের টেক্সটাইল খাতের রপ্তানি দ্বিগুণ করা সম্ভব।

বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাত ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রযুক্তি, দক্ষতা ও গবেষণার ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো গেলে এ খাতের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরও জানান, টেক্সটাইল খাতের উন্নয়নে চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণা বিনিময়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি টেক্সটাইল শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞান ব্যবহারের ক্ষেত্রও সম্প্রসারিত হবে।

চীনের সঙ্গে শিক্ষা, গবেষণা, প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের টেক্সটাইল, ফ্যাশন ও পাট খাতকে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪