নোয়াখালী প্রতিনিধি : বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, অতীতে যা হয়েছে সেগুলো ভুলে গিয়ে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে, ষড়যন্ত্র চলছে আমাদের মধ্যে বিবাদ ও বিরোধ তৈরি করতে। তারেক রহমান বলেছেন সবাইকে ধৈর্য্য ধরতে হবে। ধৈর্য্য ধরে ঐক্যবদ্ধ থেকে আমাদেরকে এ ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দিতে হবে।
শনিবার বিকেলে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা কৃষকদলের আয়োজনে চরজব্বর ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানে বিসমিল্লাহ জিয়াউর রহমান সংযুক্ত করেছেন। তিনি শ্রদ্ধার সাথে জীবনযাপন করেছেন। আল্লাহ যাকে সম্মান দেন কেউ তাকে অপমান করতে পারে না। তাই মানব সবার মাধ্যমে সবাইকে জীবনযাপন করতে হবে। তাহলে সম্মান আল্লাহ দিবে।
মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, জুলাই আগস্টে বিপ্লব করে ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছি। নির্বাচনে কারো মার্কা হবে ধানের শীষ, কারো হবে দাঁড়িপাল্লা, কিন্তু সবাইকে এক থাকতে হবে যেনো বাংলাদেশে আর ফ্যাসিবাদ তৈরি না হয়। আর আমাদের এই ঐক্যতার মাধ্যমে ফ্যাসিবাদকে চিরস্থায়ীভাবে তাড়াতে হবে। এমপি মন্ত্রী আমার কাছে বড় না, বড় হচ্ছে আমার দেশের জনগন। যারা সত্যিকারের মানুষ তারা নিজের স্বার্থ নয় দেশকে ভালোবাসে। আমি দলের দুরদিনে ছিলাম, এখনও আছি।
সবাইকে খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করে তিনি বলেন, যে যা করেছেন তা গতকাল পর্যন্ত, আজকের পর থেকে আর না। দলের সম্মান রক্ষায় সবাইকে বিশৃঙ্খল কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে। যারা অত্যাচার করেছে তাদের শাস্তি দিয়ে যারা তাদের অধিকার হারিয়েছেন তাদের অধিকার ফিরে পাবেন।
সুবর্ণচর উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সদস্য এ্যাড আবদুর রহমান, সলিমুল্ল্যাহ বাহার হিরন, আবু নাসের, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি জসীম, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন খান, জেলা সেচ্চাসেবক দলের সভাপতি সাবের আহমেদ,জেলা কৃষক দলের আহবায়ক ভিপি পলাশ, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব জিএস হারুন, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক ওমর ফারুক টপি, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজগর উদ্দীন দুখু’সহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠন নেতৃবৃন্দ।
রিপোর্টার্স/এমআ