| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

তামিম ইকবালের ছোঁয়ায় ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০৩, ২০২৬ ইং | ০৭:০০:২৪:পূর্বাহ্ন  |  ৩০৫ বার পঠিত
তামিম ইকবালের ছোঁয়ায় ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক নতুন উদ্যোগের কথা জানাচ্ছেন সভাপতি তামিম ইকবাল। এবার মিরপুর স্টেডিয়ামে সোলার সিস্টেম স্থাপন, দর্শকদের জন্য নতুন শেড নির্মাণ এবং ঘরোয়া ক্রিকেটারদের খাদ্যতালিকায় পরিবর্তনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২ মে) ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের (ডিপিএল) ট্রফি উন্মোচনের পর মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক।

তামিম জানান, দর্শকদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে মিরপুর স্টেডিয়ামের ছাউনির ওপর সোলার প্যানেল স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি এখনো প্রাথমিক আলোচনায় আছে। আমরা পরিবেশবান্ধব ও টেকসই একটি ব্যবস্থা নিয়ে ভাবছি।

স্টেডিয়ামের দর্শকসুবিধা বাড়ানোর অংশ হিসেবে যেসব গ্যালারিতে এখনো শেড নেই, সেখানে নতুন কেনোপি বা ছাউনি নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। তামিম বলেন, স্কোরবোর্ডের পাশের গ্যালারিতে কোনো শেড নেই। অথচ কম টিকিটমূল্যের কারণে ওই অংশেই সবচেয়ে বেশি দর্শক থাকে। এই গরমে তারা অনেক কষ্ট পায়। আমরা প্রায় ২৭ হাজার স্কয়ার ফিট এলাকায় শেড নির্মাণের পরিকল্পনা করেছি।

ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামো নিয়েও কথা বলেন বিসিবি সভাপতি। তার মতে, দেশের ক্রিকেট দীর্ঘদিন ধরে সীমিতসংখ্যক ক্রিকেটারকেন্দ্রিক হয়ে আছে। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাই বিপিএল, বিসিএল, এনসিএলসহ প্রায় সব বড় টুর্নামেন্টে খেলছেন। কিন্তু দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগের খেলোয়াড়দের খেলার সুযোগ কম।

তিনি বলেন, আমাদের ক্রিকেট ইতিহাসে খুব কম উদাহরণ আছে, যেখানে দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিভাগ থেকে সরাসরি জাতীয় দলে কেউ এসেছে। কারণ আমরা তাদের জন্য সঠিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পারিনি। এ অবস্থার পরিবর্তনে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম ও দ্বিতীয় একাদশ গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

ডিপিএলের এবারের আসরে ক্রিকেটারদের খাদ্যতালিকায়ও পরিবর্তন আনছে বিসিবি। এতদিন ম্যাচ চলাকালে খেলোয়াড়দের দুপুরের খাবারে ভাত, আলুভর্তা ও গরুর মাংস দেওয়া হলেও এবার তার পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর খাবার যুক্ত করা হচ্ছে।

তামিম বলেন, আগে ফিটনেস টেস্ট শেষে খেলোয়াড়দের সামনে আলুভর্তা, গরুর মাংস আর ভাত দেওয়া হতো। আমরা যদি সত্যিই ফিটনেস নিয়ে সচেতন হতে চাই, তাহলে খাবারের দিকটাও ঠিক করতে হবে। এবার থেকে গ্রিলড চিকেনসহ উন্নত মানের খাবার দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

তবে হঠাৎ খাদ্যাভ্যাস বদলানো কঠিন হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, জাতীয় দল বা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটাররা এ ধরনের খাবারে অভ্যস্ত হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটারদের জন্য পরিবর্তনটা একটু কঠিন হতে পারে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি তাদের ফিটনেস ও পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ঘরোয়া ক্রিকেটারদের আর্থিক সংকটের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তামিম। তিনি বলেন, আমরা চাই না কোনো ক্রিকেটার খেলা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাক। অতীতে দেখেছি, অনেক ক্রিকেটার জীবিকার জন্য ফুচকা বিক্রি বা রিকশা চালাতে বাধ্য হয়েছেন। আমরা এমন পরিস্থিতি আর দেখতে চাই না।

আগামী ৪ মে থেকে শুরু হচ্ছে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের নতুন মৌসুম। এবারের আসরে বেশ কিছু নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছে বিসিবি।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪