| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ঠাকুরগাঁওয়ে চাষ হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপাইন জাতের আখ

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ১১, ২০২৫ ইং | ০৭:৫৮:২১:পূর্বাহ্ন  |  ১৪১০০০০ বার পঠিত
ঠাকুরগাঁওয়ে চাষ হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপাইন জাতের আখ
ছবির ক্যাপশন: ঠাকুরগাঁওয়ে চাষ হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপাইন জাতের আখ

সাদ্দাম হোসেন, ঠাকুরগাঁও:

অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন ও দেশীয় উদ্ভাবনী—এ তিন জাতের আখ চাষ করে কৃষকের দোরগোড়ায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে ঠাকুরগাঁও আঞ্চলিক সুগার ক্রপস গবেষণা ইনস্টিটিউট। গবেষণা মাঠে সাফল্যের পর এসব আখ এখন পৌঁছাচ্ছে কৃষকের খেতে।

গবেষণা ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর ধরে ঠাকুরগাঁও মাদারগঞ্জে কুইন্সল্যান্ডের কিউ–৬৯, ঈশ্বরদী গবেষণা কেন্দ্রের বিএসআরআই–৪১ (অমৃত) এবং ফিলিপাইনের ব্ল্যাক রুবি জাতের আখ চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে কিউ–৬৯ জাতটি পুষ্টিগুণে ভরপুর ও চিবিয়ে খাওয়ার উপযোগী। মাঠ পর্যায়ে সাফল্য পাওয়ায় শিগগিরই এটি কৃষক পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিএসআরআই–৪১ জাতের আখ গুড় উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। রস আহরণের হার দেশীয় জাতের তুলনায় অনেক বেশি—প্রতি ১০০ কেজি আখ থেকে ১০–১২ কেজি গুড় উৎপাদন সম্ভব।

অন্যদিকে ফিলিপাইনের ব্ল্যাক রুবি জাতের আখ ইতোমধ্যে রংপুর বিভাগের গোবিন্দগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। নরম, সুস্বাদু ও রসে ভরপুর এই আখ ফিলিপাইনে ‘কালো আখ’ নামে পরিচিত। পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরণে সরকারের কৃষি–বান্ধব পুষ্টি বাগানে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

ঠাকুরগাঁও বাংলাদেশ সুগার ক্রপস গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মো. সোহরাব হোসেন বলেন, ‘তিন জাতের আখের চাহিদা বাজারে দিন দিন বাড়ছে। এটি কৃষকের লাভ বাড়াবে এবং পুষ্টি ঘাটতিও কমাবে।’

ভূল্লী থানার কুমারপুর গ্রামের কৃষক আশরাফুল ইসলাম জানান, ‘নতুন জাতের আখ চাষ করে ভালো ফলন পাচ্ছি।’ হরিপুর উপজেলার খলোরা গ্রামের কৃষক তৈবুর রহমান বলেন, ‘ব্ল্যাক রুবি আখের রস ও স্বাদ অসাধারণ। বাজারে বিক্রিও ভালো হচ্ছে।’




এস

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪