ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৯ জানুয়ারি ঢাকায় মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে। ওসমান হাদির খুনিদের গ্রেপ্তার এবং জুলাই সনদের পক্ষে জনমত তৈরির উদ্দেশ্যেই এই সমাবেশ আয়োজন করা হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুলশানের বাসায় পৌঁছেছেন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে তাকে বহনকারী গাড়িটি গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়ির সামনে আসে।
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসনের পর দেশে ফেরার স্বপ্ন আজ বাস্তব। তিল তিল করে মাটিতে নেমে এসেছে লাখো মানুষের ভিড়। বাতাসে উড়ছে লাল-সবুজ পতাকা, হাতে ব্যানার, চোখে অশ্রু, মুখে উল্লাস। আর মঞ্চে দাঁড়িয়ে ছিলেন সেই নেতা, যার প্রত্যাবর্তনের প্রতিটি মুহূর্ত ছিল দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অংশ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিকেল ৩টার দিকে ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজন করা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি দাঁড়িয়ে সমগ্র উপস্থিত জনতার দিকে তাকালেন। তাদের চোখে
সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতাল ত্যাগ করে গুলশানের নিজ বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হন। বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর নেতাকর্মীরা সকাল
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসনের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৃহস্পতিবার দেশে ফেরার পর দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বিএনপির এই শীর্ষ নেতার দেশে প্রত্যাবর্তন নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে থাকা শঙ্কা দূর করেছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে যেমন উচ্ছ্বসিত বিএনপি নেতাকর্মীরা, তেমনি এই ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছে দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা।
দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরে আসায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি এই প্রত্যাবর্তনকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একটি ইতিবাচক অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে বলতে চাই দেশের মানুষের জন্য আমার পরিকল্পনা আছে। আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান। এ জন্য প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষের সহযোগিতা লাগবে। তখনই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত বিএনপির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য প্রদান শেষে এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যে কোনো মূল্যে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। আমরা শান্তি চাই। সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। কারো উস্কানিতে পা দেওয়া যাবে না। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে রাজধানীর পূর্বাচলে আয়োজিত গণসংবর্ধনার মঞ্চে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, “৭১’-এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে সর্বস্তরের মানুষ মিলিত হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রথমেই রাব্বুল আলামিনের প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়। আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব , যা একজন মা স্বপ্ন দেখেন। অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন মানুষ নিরাপদে ঘর থেকে বের হতে পারে ও ঘরে ফিরে আসতে পারে। আমরা দেশের শান্তি চাই
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব আমরা, যা একজন মা দেখেন। অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যেখানে একজন মানুষ নিরাপদে ঘর থেকে বের হতে পারবে এবং ঘরে ফিরে আসতে পারবে।” বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কের গণসংবর্ধনা মঞ্চে তিনি এ মন্তব্য করেন।
লাল–সবুজ রঙের গাড়িবহর নিয়ে রাজধানীর জুলাই ৩৬ সমাবেশস্থলে পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে বিমানবন্দর থেকে রওনা হওয়া তারেক রহমানের গাড়িবহর জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে প্রবেশ করে। এ সময় বাসের ভেতর থেকে দাঁড়িয়ে তিনি দুই হাত নেড়ে রাস্তার দুপাশে অবস্থান করা নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। তাঁর উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে ইসলামি চিন্তাবিদ ড. মিজানুর রহমান আজহারী আশা প্রকাশ করেছেন, তার প্রত্যাবর্তন দেশের কল্যাণে নিবেদিত হোক।