রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: হাওড় অঞ্চলে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি জানান, ক্ষতির পরিমাণ বিবেচনায় প্রতিজন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে সাড়ে ৭ হাজার টাকা থেকে শুরু করে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বেশি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এই সহায়তা কার্যক্রম আগামী তিন মাসব্যাপী চলবে।
সোমবার (৪ মে) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
অধিবেশনে দেশের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসকরা আলুর বাম্পার ফলন হলেও সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা এ সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আলুর বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি রপ্তানি বৃদ্ধি করার মাধ্যমে এই সমস্যা মোকাবিলার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া সম্মেলনে আসন্ন কুরবানির পশুর বাজার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে কুরবানির জন্য গরুর কোনো ঘাটতি নেই, বরং পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। ফলে বাজারে কোনো ধরনের সংকট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
তিনি আরও জানান, আগামী দিনে সীমান্ত দিয়ে নতুন করে গরু প্রবেশের সম্ভাবনাও নেই। ফলে বাজার স্থিতিশীল থাকবে এবং ভোক্তারা স্বাভাবিক দামে পশু ক্রয় করতে পারবেন।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম