কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: কোটচাঁদপুরের চাষিদের পালিত পশুতেই মিটছে স্থানীয় মানুষের চাহিদা। বাড়তি পশু দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে তারা। এতে করে স্বস্তিতে এখানকার মানুষেরা। তারপরও দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে অভিযোগ।
জানা যায়, ৫ টি ইউনিয়ন আর ১ টি পৌরসভা নিয়ে কোটচাঁদপুর উপজেলা। এই উপজেলায় পশুর বড় ধরনের কোন খামারি না থাকলেও রয়েছে ছোট ছোট ১ হাজার ৯শ ৭৩ জন খামারি। যে সব খামারের প্রতিটিতে রয়েছে ২/৫ টা করে গরু ছাগল। সে অনুযায়ী ২০ হাজার ১ শ ৪ টি পশু রয়েছে এই উপজেলাতে। যেখানে ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর চাহিদা রয়েছে ১৪ হাজার ১শ ৩৬ টি । এমনটাই জানা গেছে স্থানীয় প্রাণী সম্পদ অফিস সুত্রে। তবে পশুর দাম নিয়ে অভিযোগ রয়েছে ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে।
কোটচাঁদপুর গাবতলা পাড়ার হাবিব মাস্টার ও স্টেশন মাস্টার নুরুল ইসলাম বলেন, বছর তুলনায় ছাগলের দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই আছে। দামের তেমন কোন বেশ কম হয়নি।
তালসার গ্রামের কবির হোসেন বলেন,সারা বছর পালন করে,তেমন দাম হল না। আরেকটু হলে ভাল হত। উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন,কোটচাঁদপুরে গরু- ছাগলের খামারি রয়েছে ১ হাজার ৯শ ৭৩ জন। ঈদ উপলক্ষে ওই সব খামারে ২০ হাজার ১ শ ৪ টি প্রাণী মজুদ আছে। এরমধ্যে গরু ৫ হাজার ৯শ ৯৬ টি আর ছাগল ১৪ হাজার ১শ ৮ টি। এই উপজেলায় গরু ছাগলের চাহিদা রয়েছে ১৪ হাজার ১শ ৩৬ টি।
তিনি বলেন, কোটচাঁদপুরের চাষিদের পালিত গরু ছাগল দিয়ে আমাদের চাহিদা পুরন হয়েও উৎবৃত্ত থাকে ৫ হাজার ৯শ ৬৮ টি প্রানী। যা বিক্রি করে এখানকার চাষিরা অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়ে থাকে।
রিপোর্টার্স২৪/মিতু