| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

দেবীগঞ্জে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ০১, ২০২৬ ইং | ২১:৪৬:৪৫:অপরাহ্ন  |  ৬৭৯ বার পঠিত
দেবীগঞ্জে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার নৃপেন্দ্র নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ইংরেজি প্রথম পত্রের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী শিক্ষক মহাদেব রায়ের বিরুদ্ধে পরীক্ষা শুরুর আগেই এক শিক্ষার্থীর হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্নপত্র পাঠানোর তথ্য সামনে এসেছে।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে অনুষ্ঠিত দশম শ্রেণির ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষার মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার দশম শ্রেণির ইংরেজি প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করেছিলেন অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মহাদেব রায়। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন শেষে তা প্রিন্ট ও সিলগালা করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে জমা দেন। নির্ধারিত সময়ে সেই সিলগালা খাম খুলে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। ফলে পরীক্ষা শুরুর আগে প্রশ্নপত্র বাইরে যাওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন প্রণয়নকারী শিক্ষকের ভূমিকা তদন্তের আওতায় এসেছে।

নৃপেন্দ্র নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জি এম রুহুল আমিন বলেন, প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিত সাহা জানান, বিষয়টি জানার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদ্যালয়টি পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) রংপুর অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোছা. রোকসানা বেগম বলেন, একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধেই যদি প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে, তাহলে শিক্ষার মান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সহকারী শিক্ষক মহাদেব রায়ের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক মহাদেব রায়ের বিরুদ্ধে এর আগেও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগতভাবে প্রাইভেট পড়তে ও বিশেষ কোচিং ক্লাসে অংশ নিতে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ ছিল, তার কাছে প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় নম্বর কম দেওয়ার ভয় দেখানো হতো। সে সময় বিষয়টি স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে আলোচনার জন্ম দেয়।

নতুন করে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪