রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসব নিরুৎসাহিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণে একগুচ্ছ নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নের কথাও জানান তিনি।
সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্প্ল্যাশ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রীর কোনো মজুত রেখে যায়নি। ফলে বর্তমানে এসব পণ্যের সংকট তৈরি হয়েছে। তবে দ্রুতই সব ধরনের পরিবার পরিকল্পনা পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও জানান, অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসব কমাতে উপজেলা হাসপাতালগুলোকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। চলতি বছরের মধ্যেই দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে আধুনিক প্যাথলজিক্যাল ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
গর্ভবতী মায়েদের দালালচক্রের হাত থেকে সুরক্ষা দিতে এবং হাসপাতালের বাইরে নিরাপদ স্বাভাবিক প্রসবের হার বাড়াতে দ্রুত মিডওয়াইফ ও কেয়ারগিভার নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এতে নবজাতকদের জন্মের পরপরই শালদুধ নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
নারীদের স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করতে আগামী ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে মাঠপর্যায়ে স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যান্সার স্ক্রিনিং কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি কিডনি রোগীদের চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট চালুর চূড়ান্ত রূপরেখা তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম