| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

‘আমার স্তন ও নিতম্ব বড় করতে বলা হতো’

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১৮, ২০২৬ ইং | ২৩:৫৪:০৪:অপরাহ্ন  |  ২১৪২ বার পঠিত
‘আমার স্তন ও নিতম্ব বড় করতে বলা হতো’

এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক: প্রায় ১৪ বছরের দীর্ঘ বিরতি ভেঙে ‘আখরি সওয়াল’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আবারও বড়পর্দায় ফিরেছেন বলিউড অভিনেত্রী সমীরা রড্ডি। প্রত্যাবর্তন করেই ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর এক তিক্ত অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন এই তারকা। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সমীরা জানান, বিনোদন জগতে পা রাখার পর নিজের শারীরিক গঠন নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভুগতে হতো তাঁকে। এমনকি পর্দায় আকর্ষণীয় দেখানোর জন্য শরীরের বিভিন্ন অংশ বড় করার জন্য তাঁর ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন ইন্ডাস্ট্রির কিছু মানুষ।

ক্যারিয়ারের শুরুতে গায়ের রং নিয়ে চরম বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছিল সমীরাকে। অভিনেত্রীর কথায়, “আমার প্রথম ছবি ‘ম্যায়নে দিল তুঝকো দিয়া’-তে অভিনয়ের জন্য প্রসাধনীর মাধ্যমে গায়ের রং ফর্সা করা হয়েছিল। মুখের রঙের সঙ্গে শরীরের রং মেলানোর জন্য সারা শরীরে প্রসাধনী লাগাতে হত।” এ প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, “শুধু ছবিতে নয়, অনেক নারীরা নিজের বাড়িতেও বৈষম্যের মুখে পড়েন। বাবা-মা বা শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলেন, ‘তুমি খুব কালো-মোটা।’ কিন্তু সৌন্দর্যের সংজ্ঞা ঠিক করে দিয়েছে কে?” সমীরা জানান, নিজের চেহারা নিয়ে তাঁর বেশ অনিশ্চয়তা ছিল। তা কাটিয়ে উঠতে  দুই দশকেরও বেশি সময় লেগেছে।

সমীরা আরও জানান, তিনি কে বা নিজেকে কীভাবে তুলে ধরতে হবে তা নিয়ে দীর্ঘ সময় বিভ্রান্তিতে ভুগেছেন। অভিনেত্রী বলেন, ‘প্রায় ২০ বছর ধরে আমি প্যাড দেওয়া ব্রা, নিতম্ব বড় দেখানোর প্যাড আর রঙিন কনট্যাক্ট লেন্স পরে থেকেছি।’ ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে নারী পরিচালক ও পোশাক ডিজাইনারও তাঁর শরীর নিয়ে কটাক্ষ করতেন। সমীরার ভাষায়, ‘পোশাক ডিজাইনাররা প্রথম থেকেই বলতেন, আমার চেহারা নিয়ে কিছু করতে হবে। তাই আমার প্রায় সব পোশাকের জন্যই প্যাডসহ ব্রা বানানো থাকত। আমার কাছে এখনও নানা ধরনের প্যাড রয়েছে। আমাকে বারবার বলা হত, ‘আর কত প্যাড ব্যবহার করবে সমীরা? এ বার কিছু একটা করো’। পরিচালকরাতো সরাসরি বলতো, ‘তোমার স্তন খুব ছোট। তোমার নিতম্বও বড় করতে হবে।’

সমীরা আরও বলেন, ‘৩০ বছর বয়স পর্যন্ত ভেবেই গিয়েছি আমি ফর্সা নই। আমার চোখ হালকা রঙের নয়। আমি খুব লম্বাও নই। নায়ক খাটো হওয়ায় আমাকেও কুঁজো হয়ে হাঁটতে বলা হত। এখন বুঝি, এগুলো সমস্যাই নয়। কিন্তু তখন এ সব নিয়ে আমার মধ্যে হীনম্মন্যতা তৈরি করা হত।’ 

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪