কোলন ক্যান্সার কোলন বা মলদ্বারের টিস্যুতে বিকশিত হয়। বিশ্বজুড়ে পুরুষ এবং মহিলাদের উভয়ের ক্ষেত্রেই সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ক্যান্সারের মধ্যে এটি একটি। বৃহৎ অন্ত্র (কোলন) থেকে শুরু করে, এটি পলিপ নামক কোষের ছোট, ক্যান্সারবিহীন স্তূপ থেকে বিকশিত হয়। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্যান্সারের মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো যে, কোলন ক্যান্সার তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ক্রমশ সাধারণ হয়ে উঠছে। তবে সুসংবাদ হলো, কিছু সবজি আপনাকে এই রোগের ঝুঁকি থেকে অনেকটাই দূরে রাখতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-
অতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়ার ফলে আপনি মোটা হয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া আপনার পেটে জমেছে চর্বি। আর দেহের বাড়তি মেদ কমাতে কেউ কেউ ডায়েট করেন আবার কেউ কেউ ব্যায়াম। তবে এসবে দেখা যায়, শরীরের অন্যান্য অংশের মেদ কমলেও সহজে পেটের মেদ কমে না। তাই পেটের মেদ কমাতে সকালে এই কাজগুলো করুন।
তেঁতুল এমন একটি ফল যার নাম শুনলেই মুখে পানি আসে। অনেকেই ত্বকের যত্নে তেঁতুল ব্যবহার করে থাকেন। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে তেঁতুলে। এই ফল দিয়ে ত্বকের যত্ন কীভাবে নেওয়া যায়, জেনে নিন।
নারীর সাজের অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে লিপস্টিক। লিপস্টিক ঠোঁটের পাশাপাশি মুখের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়। অনেকের ধারণা, ঠোঁটে প্রতিদিন লিপস্টিক লাগালে ঠোঁট কালো হয়ে যায়।
আপনি কি বলিরেখামুক্ত উজ্জ্বল ত্বক চান? তাহলে কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবারই হতে পারে এর সমাধান! এই প্রোটিন ত্বককে তরুণ এবং মসৃণ দেখায়। আপনি কি জানেন যে, আমাদের প্রতিদিনের খাবার ত্বককে সুস্থ রাখতে বড় ভূমিকা পালন করে? অভিনব ক্রিম বা দামি সাপ্লিমেন্টের প্রয়োজন নেই। কিছু দৈনন্দিন পানীয় শরীরকে কোলাজেন তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে। এই পানীয়গুলোতে পুষ্টিগুণ থাকে, যা ত্বকের স্বাস্থ্যকে সহায়তা করে। প্রতিদিনের রুটিনে এগুলো যোগ করে আপনি আরও সুস্থ, উজ্জ্বল ত্বক পেতে পারেন।
প্রায় সবার শরীরেই কম-বেশি তিল রয়েছে। জন্মের পর থেকেই খেয়াল করা যায় তা। আর এই ছোট্ট একটি মাত্র তিল কয়েকগুণ রুপসৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলতে পারে মানুষের। কারও কপালে, কারও গালে, ঠোঁটের নিচে, চোখের পাশে কিংবা শরীরের অন্যান্য জায়গায় তিল থাকে। তিল সৌন্দর্য বাড়ায় বলে অনেকের কাছেই পছন্দের।
সকালে খালি পেটে বা রাতে ঘুমোনোর আগে জিরে, মেথি বা মৌরি ভেজানো জল খাওয়ার পরামর্শ দেন আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা। এতে শরীর ডিটক্স হয়, ওজন কমে, হজম শক্তি বাড়ে—এমনটাই প্রচলিত ধারণা। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে, জিরে ভেজানো জল খাওয়ার সবচেয়ে কার্যকর সময় সকালে বা রাতে নয়, বরং দুপুর ও বিকেলের মাঝামাঝি সময়।
শিশুরা অফুরন্ত আনন্দের উৎস। তবে আনন্দ ধরে রাখতে হলে তাদের নিয়মিত যত্নের প্রয়োজন, বিশেষ করে যখন স্বাস্থ্যের কথা আসে। বাবা-মায়েরা শিশুদের যত্নে কড়া নজর রাখেন, কিন্তু কখনও কখনও কিছু ভুল হতে পারে। কারণ কিছু অসুখের লক্ষণ বুঝতে পারা কঠিন। শিশুর জন্য একটি গুরুতর উদ্বেগের বিষয় হলো পানিশূন্যতা, যা গোপনে দেখা দিতে পারে এবং চিকিৎসা না করা হলে বিপজ্জনক হতে পারে। কী কী বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে তা জানা থাকলে শিশুকে নিরাপদ ও সুস্থ রাখা সহজ হবে।
ডিহাইড্রেশন, অতিরিক্ত রোদে পোড়া, ধূমপান, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ অথবা প্রসাধনী ব্যবহারের কারণে ঠোঁট কালো হতে পারে। যদিও কসমেটিক ট্রিটমেন্ট পাওয়া যায়, তবে সেগুলো ব্যয়বহুল এবং কখনো কখনো সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
কর্মক্ষেত্রে চাপ যে কারোরই মাথায় আসতে পারে, যা অফিসের কাজ করাকে দিনকে কঠিন করে তোলে। অফিসে মনকে শান্ত ও উৎপাদনশীল রাখার জন্য মন ও শরীরকে পুনরায় সতেজ করার জন্য কিছুক্ষণ সময় বের করা অপরিহার্য। সেজন্য খুব বেশি সময় বা বিশেষ কোনো সরঞ্জামের প্রয়োজন হয় না।
আমাদের সুস্থতা কিংবা অসুস্থতায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে আমাদের খাদ্যাভ্যাস। সঠিক খাবার যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে তেমনই ভুল কিছু খাবার আবার বিভিন্ন অসুখের কারণ হতে পারে। পাইলসের সমস্যায় ভুগছেন এমন কারও জন্য খাবারের ক্ষেত্রে সচেতন হওয়া জরুরি। কারণ কিছু খাবার এই সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন খাবারগুলো পাইলসের রোগীদের জন্য ক্ষতিকর-
গ্রীষ্ম-বর্ষা পেরিয়ে শরৎ চলে এলেও রোদের তীব্রতা কমছে না। দাবদাহের প্রভাব পড়ছে ছোট থেকে বড় সবার জীবনে। পরিমাণমত রোদ ত্বকের জন্য উপকারী হলেও দীর্ঘ সময় ত্বকে সরাসরি রোদ পড়লে অতিবেগুনি রশ্মির কারণে ত্বক লালচে হয়ে যাওয়া, ঘামাচি, চুলকানিসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা হতে পারে একটি কার্যকরি সমাধান।
প্রোটিন হল আমাদের শরীরের এক অন্যতম প্রধান গঠন উপাদান।
আমরা সবাই জানি, নিম একটি ওষুধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার।