শুষ্ক কাশি হলে গলা জ্বালা করে কিন্তু শ্লেষ্মা বা কফ তৈরি হয় না। এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সর্দি বা ফ্লুর মতো সংক্রমণের পরে স্থায়ী হয়। রাতভর কাশি অস্বস্তিকর, এই সমস্যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় এবং ধীরে ধীরে গলায় চাপ সৃষ্টি করে। কাশির ওষুধ আপনাকে সাময়িক উপশম দেবে, তবে প্রাকৃতিক এবং পরীক্ষিত ঘরোয়া প্রতিকার বেছে নেওয়া বেশি উপকারী। এগুলো গলা প্রশমিত করে এবং কাশি থামাতে কাজ করে। মধু, হলুদ, আদা এবং পুদিনা পাতার মতো সহজ উপাদান প্রদাহ কমাতে, শ্বাসনালীকে আর্দ্র করতে এবং দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে নতুন বন্ধু দিবস, একটি দিন যেদিন মানুষ পুরোনো সম্পর্ককে মনে করে, নতুন সম্পর্কের দিকে হাত বাড়ায়, আর বন্ধুত্বের সেই মানবিক উষ্ণতা আবারও উপলব্ধি করে।
সময়ের সঙ্গে ছোটদের ‘স্ক্রিন টাইম’বাড়ছে। মোবাইল, ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট বাড়িতে ছোটদের পড়াশোনার সুবিধা করে দিয়েছে। ইন্টারনেটের দৌলতে সারা বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। কিন্তু দিনের একটা বড় সময় ডিজিটাল পর্দায় চোখ রাখার ফলে ছোটদের একাগ্রতাও কমেছে।
আজকাল প্রায় সবারই এক সাধারণ সমস্যা শরীরে অ্যালার্জি। বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের খাবার থেকে হওয়া অ্যালার্জি বা ফুড অ্যালার্জি এখন ক্রমেই বাড়ছে। খাবারে অ্যালার্জি মোটেও সাধারণ বিষয় নয় বরং এটি শরীরের জটিল প্রতিক্রিয়া। কেউ দুধ খেলে বমি করেন, কারও চিংড়ি খেলেই গায়ে র্যাশ ওঠে; কারও বেগুনে গলা চুলকায়, আবার কারও ইলিশ খেলেই বুক জ্বলে। এসবই হজমের সমস্যা নয় বরং অ্যালার্জিরই লক্ষণ।
রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে করলার মতো খাবার খুব কম আছে। রোগমুক্ত জীবন কাটাতে সাহায্য করে এই সবজি। এমনকি করলার রস খেলে ভালো থাকে ত্বকও। কিন্তু এই সবজি কি চুলের যত্ন নিতে পারে! শুনতে আশ্চর্যজনক মনে হলেও এই সবজি কিন্তু চুলের জন্য ভীষণ উপকারী। চুল পড়া ও খুশকির সমস্যা দূর করে দিতে পারেন করলা ব্যবহার করে।
১৭ অক্টোবর দিনটি 'ইন্টারন্যাশনাল ফরগিভ অ্যান এক্স ডে' বা ‘প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন’। দিনটি পালনের উদ্দেশ্যই হলো সব ভুলে প্রাক্তনকে ক্ষমা করে নিজেকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। ২০১৮ সাল থেকে এই দিনটির যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দিনটি পালিত হয়, যদিও এর কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নেই। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এই দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন মন্তব্য ও পোস্ট শেয়ার করে থাকেন।
ওজন কমানোর জন্য অনেকেই ডায়েটে শসা রাখেন। কিন্তু কখন শসা খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়, সেটা হয়তো কারও কারও জানা নেই। পুষ্টিবিদরা বলছেন, যখন-তখন শসা খেলে উপকার পাওয়া যাবে না। শসা খেতে হবে নিয়ম মেনে। খালি পেটে নয়, ভারী পেটে শসা খান, সবচেয়ে ভালো হলো খাবার খাওয়ার পরেই শসা খান। সকাল বা বিকেলের টিফিনে শসার সালাদ, রায়তা বা দই-শসা রাখতে পারেন।
পুষ্টিবিদেরাও বলেন, রকমারি ফলে রয়েছে নানা রকম পুষ্টিগুণ। ত্বক হোক বা চুল, তা ভাল রাখতে হলে পুষ্টির ঘাটতি হতে দেওয়া চলবে না। তাই বেছে নিতে পারেন টাটকা ফল।
অধিকাংশ নারীই জীবনের কোনো না কোনো সময়ে স্তনের স্বাস্থ্য নিয়ে শঙ্কায় ভোগেন। অনেকেই ভাবেন স্তনে হালকা ব্যথা বা চাকা মানেই ক্যান্সার, আবার কেউ কেউ উপসর্গকে একেবারেই গুরুত্ব দেন না। বাস্তবে স্তন ক্যান্সার এমন একটি রোগ, যা নীরবে বিকাশ লাভ করে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা না পড়লে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এটি নারীদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়, তবে পুরুষের ক্ষেত্রেও বিরলভাবে ঘটতে পারে। সময়মতো সঠিক পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিলে এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব। তাই স্তন ক্যান্সার নিয়ে ভয় নয়, বরং সচেতনতা ও প্রাথমিক শনাক্তকরণই হতে পারে এর বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরক্ষা।
আকারে ছোট হলেও লিভার (যকৃৎ) শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। শরীরের বিপাক, প্রোটিন তৈরি, বিষাক্ত পদার্থ দূর করা, হজম এবং ভিটামিন জমা করার মতো জরুরি কাজ এটি করে। লিভারের সমস্যা হলে মৃত্যুও হতে পারে।
রাস্তার মোড়ে, ট্রাফিক জ্যামের বিরক্তিতে, কিংবা কাঁচাবাজারে সবজির দোকানে - দরিদ্রের আপেল নামে পরিচিত এই ফলটি আমাদের দেশে সারা বছরই পাওয়া যায়। ঝাল-লবণ-কাসুন্দি দিয়ে মেখে চাটপটে স্বাদেও এর জনপ্রিয়তা প্রচুর। আবার কচকচ করে চিবিয়েও স্বাচ্ছন্দ্যে খাওয়া যায় এই পেয়ারা।
আজকাল অনেকেই দাঁত পরিষ্কারের পর মাউথওয়াশ ব্যবহার করেন। কেউ কেউ আবার দাঁত না মেজেই শুধু একটু ফ্রেশনেসের জন্য মাউথওয়াশ ব্যবহার করেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মত, মাউথওয়াশ কখনোই দাঁত মাজার বিকল্প নয়। মাউথওয়াশ হলো মুখ পরিষ্কার রাখার সহায়ক উপকরণ, যা দাঁত ও মাড়ি পরিচর্যার জন্য ব্যবহার করা উচিত।
যারা সারাদিন অফিস করি অনেকেরই মাঝে মধ্যে এমন হয় যে কিছুই ভালো লাগে না। একটু পর পর ঘুম পায়। অনেকের আবার দুপুরে খাওয়ার পরে ঘুমের জন্য কাজে মনযোগ দিতে কষ্ট হয়।
অকালপক্বতা! বয়স হলে চুলের রং ফিকে হবে। কিন্তু স্কুলের গণ্ডি না পেরোনো ছেলেমেয়ে অথবা অকালপক্ব বয়সে মাথায় পাকা চুল উঁকি দেওয়া তো স্বাভাবিক নয়। আর সে লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করলে অভিভাবকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ারই কথা। সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে এর কারণ ও প্রতিকার-শতকরা ৯৫ ভাগ ক্ষেত্রে চুলে পাক ধরার বিষয়টি যদি জিনগত হয়, বাকি ৫ শতাংশ হয় শারীরিক কারণে বা শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজের অভাবে।
দেশে ডেঙ্গু সংক্রমণ বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেরই রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা হঠাৎ কমে যায়, যা শরীরের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। তবে শুধু ডেঙ্গু নয়, অন্যান্য সংক্রমণ বা শারীরিক জটিলতার কারণেও প্লাটিলেট কমে যেতে পারে।