ফ্যাটি লিভার এখন ঘরে ঘরে পরিচিত একটি সমস্যা। কেবল প্রাপ্তবয়স্ক নয়, অনেক তরুণ-তরুণী ও কিশোর-কিশোরীর শরীরেও এই সমস্যা ধরা পড়ছে। অথচ লিভার শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি টক্সিন বের করে শরীরকে পরিষ্কার রাখে।
সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। যিনি এটি মেনে চলেন, তার সংসার তো সুখের হবেই। স্বামী ও স্ত্রী মিলে একটি পরিবার গড়ে তোলেন। তবে পরিবারের গুরুদায়িত্ব মনে হয় সব সময় স্ত্রীর ওপরই থাকে। তাই আজ স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারেন, করতে পারেন তার একটু প্রশংসা।
আধুনিক যুগে মানুষের ব্যস্ততা দিন দিন বাড়ছে। আর এই ব্যস্ততার ভিড়ে অন্যতম বড় স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে উচ্চ রক্তচাপ। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণহীন রক্তচাপ হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি ও মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
কখনও কি আপনার ডেস্কে বসে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে ভেবেছেন, কখন ছুটি হবে? আপনি একা নন; আমাদের সবারই কম-বেশি এই অভিজ্ঞতা আছে। অফিসের কাজ কখনও কখনও একঘেয়েমি নিয়ে আসতে পারে। তখন সময়কে অনেক দীর্ঘ মনে হয়। বিশেষ করে যখন কাজগুলো যখন একইরকম হয়।
আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস (১৮ই সেপ্টেম্বর)। ঘাস পরিবারের বৃহত্তম এই সদস্য শুধু প্রকৃতিরই অবিচ্ছেদ্য অংশ নয়, বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও শিল্প-সংস্কৃতির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে সেটিকে অবহেলা করলে চলবে না।
উচ্চ কোলেস্টেরল একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা, যা হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর সবচেয়ে সফল উপায় হলো নির্দিষ্ট সবজি খাওয়া, যা সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ। এ ধরনের সবজির প্রাকৃতিক যৌগে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা হৃদরোগের উন্নতির পাশাপাশি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। যারা প্রতিদিন এই পাঁচটি সবজি খান তারা দীর্ঘমেয়াদে কোলেস্টেরলের পরিমাণ ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন-
কয়েকদিন ধরে শতাব্দী ধরে অ্যালোভেরা বিস্ময়কার নিরাময় বৈশিষ্ট্য এবং প্রাকৃতিক উপকারিতার জন্য পারিচিত। এই উপকারী উদ্ভিদ ত্বকের জ্বালাপোড়া প্রশমিত করতে, হজমের স্বাস্থ্য উন্নত করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু আপনি কি জানেন যে খালি পেটে অ্যালোভেরার জুস পান করা কতটা উপকারী? এই সহজ অভ্যাস আপনার দৈনন্দিন রুটিনে যোগ করে সুস্থতা বজায় রাখা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক সকালে খালি পেটে অ্যালোভেরার জুস খেলে কী হয়-
ব্যস্ত জীবন ও ভুল জীবনযাপনসহ নানা কারণে মানুষ শারীরিক ও মানসিক চাপ পড়ে। এ ছাড়া অনেকেরই কেক, কোল্ড ড্রিংকস, চকোলেট ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। এসব খাবারে চিনির পরিমাণ অনেকটাই বেশি। এই চিনি আমাদের স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে।
বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্যান্সার। গবেষণা বলছে, খাদ্যাভ্যাস ক্যান্সারের ঝুঁকিকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে। দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে ছোট ছোট পরিবর্তন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।
ভালোবাসার সম্পর্ক ভেঙে গেলে মানসিকভাবে সেটা সামাল দেওয়া সত্যিই কঠিন। মন ভেঙে যায়, আত্মবিশ্বাস নড়বড়ে হয়ে পড়ে। কেউ চুপচাপ হয়ে যান, কেউ আবার নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করেন।
পিরয়িডের লক্ষণ সব নারীর ক্ষেত্রে একরকম হয় না। তাছাড়া বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এটি পরিবর্তিত হতে পারে। পিরিয়ডের সময় যাদের খুব একটা সমস্যা হয় না, তারা ভাগ্যবতী। তবে এরকম নারীর সংখ্যা কম। অনেকের ক্ষেত্রে এসময় অস্বস্তির চেয়েও বেশি মাথাব্যথা, পা অসাড়তা/ঝিনঝিন এবং স্তনে ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা সাধারণ। এছাড়াও পিরিয়ডের সময় ঘুম ঘুম অনুভব করাও একটি পরিচিত সমস্যা। যা চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা পিরিয়ডকালীন ক্লান্টি হিসাবে উল্লেখ করেন।
রিলস দেখার নেশা শুধু টিনএজার জেন জি-দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এখনকার জেন আলফা অর্থাৎ ৪-৫ বছর বয়সী শিশুরাও যখনই হাতে মোবাইল পায়, তখনই রিলস দেখতে শুরু করে। অনেক সময় বাবা-মা নিজের কাজ সারার সুবিধার জন্য সন্তানকে মোবাইল ধরিয়ে দেন। কিন্তু খেয়াল রাখেন না যে, সেই মোবাইল শিশুর অভ্যাসে কতটা প্রভাব ফেলছে।
সকাল থেকেই দিনের ছন্দ ঠিক হয়ে যায়—এমনটাই বলে থাকেন অনেকেই। অর্থাৎ, আপনি যেভাবে দিন শুরু করবেন, সেভাবেই কাটবে সারাদিন।
গরম বা হিটওয়েভ শুধু অস্বস্তিই সৃষ্টি করছে না, এটি নীরবে মানুষের বার্ধক্য প্রক্রিয়াও ত্বরান্বিত করছে—সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য।