পরিবেশ এখন এই গরম, এই ঠাণ্ডা, হালকা ঠাণ্ডায় অনেকেরই সর্দি-কাশিতে নাক বন্ধ অবস্থা। আর এই অসুস্থতা দূর করতে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে শুরু করেন অনেকে।
ঠাৎ করেই মনে হয়— কিছুই ভালো লাগেছে না। সবকিছু যেন থমকে গেছে, ভালো লাগা আর খুঁজে পাওয়া যায় না। জীবনের ব্যস্ততা, একঘেয়েমি কিংবা চাপ এমন অবস্থার জন্ম দেয়। তবে কিছু ছোট্ট পরিবর্তনই ফিরিয়ে আনতে পারে জীবনের স্বাদ।
ঠাণ্ডা লাগলে নানারকম শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। সাধারণ সর্দি-জ্বর, কাশি থেকে শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়া পর্যন্ত হতে পারে। ঠাণ্ডাজনিত সমস্যার ধকল সইতে না পেরে প্রতি বছরই মারা যায় বহু শিশু ও বয়ষ্ক মানুষ। মূলত শরীরে যখন রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়ে তখন সামান্য কারণেও মানুষের মৃত্যু হতে পারে। তাই জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন শরীরে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা।
বেড়াতে গেলে ঝর্নার সামনে ছবি তোলা সম্ভব, কিন্তু সেলফি বা ভিডিয়ো শুট অনেক সময় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। পাথর টপকে লাফ দিতে, ঝর্নার জল ছিটিয়ে দিতে মন চাইলে, সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করা কতোটা কঠিন তা একলা যাত্রীরা ভালোই জানেন।
সমাজমাধ্যমে মাঝেমধ্যেই নানা ধরনের ডায়েট পরিকল্পনা ভাইরাল হয়ে যায়। সম্প্রতি তেমনই আলোচনায় এসেছে ‘১৮-১০-৮-৪-১’ নামের একটি ডায়েট প্ল্যান।
মানসিক চাপ, নিয়ম মেনে না খাওয়া, অনিয়মিত ঘুমসহ ইত্যাদি নানা কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা হতে পারে। এ ছাড়া সারা দিনের কাজের চাপ মাথা ব্যথার কারণ হয়ে ওঠে।
ঈদ ও যেকোনো উৎসবের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে প্রয়োজন নিজেকে পারফেক্টভাবে রেডি করা। আর এরজন্য পার্লার নয়, বাড়িতেই ঝটপট নিজেকে তৈরি করে নিতে পারেন।
যেহেতু এখন আশ্বিন মাসের গরমে নাজেহাল অবস্থা, তাই পূজার সাজ যেন অস্বস্তির কারণ না হয়ে ওঠে সেদিকে খেয়াল রাখুন।
সমস্যা হয় তখনই, যখন দু-এক দিন যেতে না যেতেই সেটা ফেটে যায়, রং মলিন হয়ে পড়ে বা পুরোপুরি উঠে যায়!
আজ মহাষষ্ঠী। শারদীয় দূর্গাপূজার প্রথম দিন। পূজার দিনগুলোতে চারপাশে উৎসবমুখর পরিবেশ থাকে। আর উৎসবের সঙ্গে খাবারের সম্পর্ক নিবিড়। চাইলে আজই ঘরে বানিয়ে নিতে পারেন পছন্দের নারকেলের নাড়ু। রেসিপি দিয়েছেন স্মৃতি সাহা।
চুলের কোমলতা ধরে রাখার জন্য হেয়ার স্পা করা খুব জরুরি। পার্লারে গিয়ে স্পা করাতে না চাইলে ঘরেই প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে চুল স্পা করে নিন। তিনটি উপায় জানিয়ে দিচ্ছি।
আজকের পৃথিবীতে আমরা সবাই ব্যস্ত। যার যার কাজে আমরা সবাই ছুটছি। একটানা ছুটতে গিয়ে কখন যে ক্লান্ত হয়ে যাই, তা সব সময় আমরা বুঝতেও পারি না। যখন বিশ্রামের প্রয়োজন হয়, কাজ থেকে বিরতি নেওয়ার জন্য শরীর আমাদের বারবার সংকেত দিতে থাকে। কিন্তু কাজের তাড়া, সম্পর্ক রক্ষা- সবকিছু সামলাতে গিয়ে আমাদের শরীরের সেসব সংকেত উপেক্ষা করতে থাকি। ফলস্বরূপ শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি এবং এমনকী দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যাও দেখা দিতে পারে। কখন বুঝবেন আপনার বিরতি নেওয়া প্রয়োজন? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
হাইড্রেশন মানে কেবল পানির বোতল বহন করা নয়। প্রতিদিনের অনেক খাবার এবং পানীয় প্রাকৃতিকভাবে পানি সমৃদ্ধ। সেগুলো আমাদেরসতেজ রাখার পাশাপাশি হৃদযন্ত্র ভালো রাখতেও দারুণভাবে কাজ করে। তাই পর্যাপ্ত পানি তো পান করবেনই, তার পাশাপাশি খেতে হবে আরও কিছু খাবার। যেগুলো আপনার শরীরকে ভেতর থেকে হাইড্রেট রাখতে কাজ করবে। ফলে শরীর পানিশূন্যতার ঝুঁকিতে পড়বে না। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন খাবারগুলো এক্ষেত্রে উপকারী-
পানি আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পানি দিয়ে গঠিত এবং এটি একটি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান। আমাদের শরীর নিজে থেকে পর্যাপ্ত পানি তৈরি করতে পারে না, তাই খাবার এবং পানীয় থেকেই এই ঘাটতি পূরণ করতে হয়। পানি শরীরের প্রায় প্রতিটি কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সকালে পানি পানের প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা হেলথলাইনের প্রতিবেদনে কথা বলেছেন। এই প্রতিবেদনে সে প্রসঙ্গে তুলে ধরা হলো:
আমরা অনেক সময় এমন কিছু করি বা বলি, যা পরে ভুল প্রমাণিত হয়। কিন্তু সেই মুহূর্তে আমরা নিজেদের সঠিকই ভাবি। এমন অভিজ্ঞতা কি আপনারও হয়েছে? আশ্চর্য হলেও সত্যি, এমনটা শুধু আপনার বা আমার সঙ্গেই নয়, প্রায় সবার সঙ্গেই ঘটে।