চুলের কোমলতা ধরে রাখার জন্য হেয়ার স্পা করা খুব জরুরি। পার্লারে গিয়ে স্পা করাতে না চাইলে ঘরেই প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে চুল স্পা করে নিন। তিনটি উপায় জানিয়ে দিচ্ছি।
আজকের পৃথিবীতে আমরা সবাই ব্যস্ত। যার যার কাজে আমরা সবাই ছুটছি। একটানা ছুটতে গিয়ে কখন যে ক্লান্ত হয়ে যাই, তা সব সময় আমরা বুঝতেও পারি না। যখন বিশ্রামের প্রয়োজন হয়, কাজ থেকে বিরতি নেওয়ার জন্য শরীর আমাদের বারবার সংকেত দিতে থাকে। কিন্তু কাজের তাড়া, সম্পর্ক রক্ষা- সবকিছু সামলাতে গিয়ে আমাদের শরীরের সেসব সংকেত উপেক্ষা করতে থাকি। ফলস্বরূপ শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি এবং এমনকী দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যাও দেখা দিতে পারে। কখন বুঝবেন আপনার বিরতি নেওয়া প্রয়োজন? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
হাইড্রেশন মানে কেবল পানির বোতল বহন করা নয়। প্রতিদিনের অনেক খাবার এবং পানীয় প্রাকৃতিকভাবে পানি সমৃদ্ধ। সেগুলো আমাদেরসতেজ রাখার পাশাপাশি হৃদযন্ত্র ভালো রাখতেও দারুণভাবে কাজ করে। তাই পর্যাপ্ত পানি তো পান করবেনই, তার পাশাপাশি খেতে হবে আরও কিছু খাবার। যেগুলো আপনার শরীরকে ভেতর থেকে হাইড্রেট রাখতে কাজ করবে। ফলে শরীর পানিশূন্যতার ঝুঁকিতে পড়বে না। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন খাবারগুলো এক্ষেত্রে উপকারী-
পানি আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পানি দিয়ে গঠিত এবং এটি একটি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান। আমাদের শরীর নিজে থেকে পর্যাপ্ত পানি তৈরি করতে পারে না, তাই খাবার এবং পানীয় থেকেই এই ঘাটতি পূরণ করতে হয়। পানি শরীরের প্রায় প্রতিটি কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সকালে পানি পানের প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা হেলথলাইনের প্রতিবেদনে কথা বলেছেন। এই প্রতিবেদনে সে প্রসঙ্গে তুলে ধরা হলো:
আমরা অনেক সময় এমন কিছু করি বা বলি, যা পরে ভুল প্রমাণিত হয়। কিন্তু সেই মুহূর্তে আমরা নিজেদের সঠিকই ভাবি। এমন অভিজ্ঞতা কি আপনারও হয়েছে? আশ্চর্য হলেও সত্যি, এমনটা শুধু আপনার বা আমার সঙ্গেই নয়, প্রায় সবার সঙ্গেই ঘটে।
ফ্যাটি লিভার এখন ঘরে ঘরে পরিচিত একটি সমস্যা। কেবল প্রাপ্তবয়স্ক নয়, অনেক তরুণ-তরুণী ও কিশোর-কিশোরীর শরীরেও এই সমস্যা ধরা পড়ছে। অথচ লিভার শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি টক্সিন বের করে শরীরকে পরিষ্কার রাখে।
সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। যিনি এটি মেনে চলেন, তার সংসার তো সুখের হবেই। স্বামী ও স্ত্রী মিলে একটি পরিবার গড়ে তোলেন। তবে পরিবারের গুরুদায়িত্ব মনে হয় সব সময় স্ত্রীর ওপরই থাকে। তাই আজ স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারেন, করতে পারেন তার একটু প্রশংসা।
আধুনিক যুগে মানুষের ব্যস্ততা দিন দিন বাড়ছে। আর এই ব্যস্ততার ভিড়ে অন্যতম বড় স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে উচ্চ রক্তচাপ। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণহীন রক্তচাপ হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি ও মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
কখনও কি আপনার ডেস্কে বসে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে ভেবেছেন, কখন ছুটি হবে? আপনি একা নন; আমাদের সবারই কম-বেশি এই অভিজ্ঞতা আছে। অফিসের কাজ কখনও কখনও একঘেয়েমি নিয়ে আসতে পারে। তখন সময়কে অনেক দীর্ঘ মনে হয়। বিশেষ করে যখন কাজগুলো যখন একইরকম হয়।
আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস (১৮ই সেপ্টেম্বর)। ঘাস পরিবারের বৃহত্তম এই সদস্য শুধু প্রকৃতিরই অবিচ্ছেদ্য অংশ নয়, বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও শিল্প-সংস্কৃতির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে সেটিকে অবহেলা করলে চলবে না।
উচ্চ কোলেস্টেরল একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা, যা হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর সবচেয়ে সফল উপায় হলো নির্দিষ্ট সবজি খাওয়া, যা সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ। এ ধরনের সবজির প্রাকৃতিক যৌগে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা হৃদরোগের উন্নতির পাশাপাশি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। যারা প্রতিদিন এই পাঁচটি সবজি খান তারা দীর্ঘমেয়াদে কোলেস্টেরলের পরিমাণ ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন-
কয়েকদিন ধরে শতাব্দী ধরে অ্যালোভেরা বিস্ময়কার নিরাময় বৈশিষ্ট্য এবং প্রাকৃতিক উপকারিতার জন্য পারিচিত। এই উপকারী উদ্ভিদ ত্বকের জ্বালাপোড়া প্রশমিত করতে, হজমের স্বাস্থ্য উন্নত করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু আপনি কি জানেন যে খালি পেটে অ্যালোভেরার জুস পান করা কতটা উপকারী? এই সহজ অভ্যাস আপনার দৈনন্দিন রুটিনে যোগ করে সুস্থতা বজায় রাখা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক সকালে খালি পেটে অ্যালোভেরার জুস খেলে কী হয়-
ব্যস্ত জীবন ও ভুল জীবনযাপনসহ নানা কারণে মানুষ শারীরিক ও মানসিক চাপ পড়ে। এ ছাড়া অনেকেরই কেক, কোল্ড ড্রিংকস, চকোলেট ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। এসব খাবারে চিনির পরিমাণ অনেকটাই বেশি। এই চিনি আমাদের স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে।
বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্যান্সার। গবেষণা বলছে, খাদ্যাভ্যাস ক্যান্সারের ঝুঁকিকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে। দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে ছোট ছোট পরিবর্তন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।