রমজানে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে সবাই এমন কিছু খেতে চান যা একদিকে সুস্বাদু, অন্যদিকে শরীরের জন্য উপকারী। এ সময় ফলের সালাদ হতে পারে দারুণ একটি পছন্দ। বিভিন্ন তাজা ফল দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করা যায় এই স্বাস্থ্যকর খাবারটি, যা শরীরে শক্তি জোগানোর পাশাপাশি ইফতারের টেবিলেও এনে দেয় ভিন্ন স্বাদ।
রমজান মাসে সেহেরি শুধু খাওয়ার আয়োজন নয়, এখন এটি মানুষের বিনোদন ও সামাজিক মিলনের এক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। বিশেষ করে পুরান ঢাকার মানুষের রাত জাগার অভ্যাস এবং সেহেরিতে আড্ডার প্রথা এখন একটি উৎসবমুখর আকার নিচ্ছে।
দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে ও ক্লান্তি কাটাতে স্বাস্থ্যকর শরবতের গুরুত্ব অপরিসীম। ইফতারে পুষ্টিকর শরবত খেলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে, ক্লান্তি কমে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়। বিশেষ করে গরমে পানির ঘাটতি পূরণে এসব শরবত বেশ কার্যকর।
অনেকে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়াকে ক্লান্তি, স্ক্রিনে দীর্ঘক্ষণ নজর রাখার বা ঘুমের অভাবের ফল মনে করেন। কিন্তু এক চোখের দৃষ্টি হঠাৎ ঝাপসা হলে তা হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি চোখ বা শরীরের গুরুতর রোগের ইঙ্গিত হতে পারে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করলে ভবিষ্যতে স্থায়ী দৃষ্টিহীনতার ঝুঁকি থাকে।
আমি করিনি! ভাঙা ফুলদানি সামনে রেখে এমন অস্বীকার অনেক বাবা-মায়েরই চেনা দৃশ্য। তবে শিশু কেন মিথ্যা বলে, তা শুধুই খারাপ চরিত্রের পরিচয় নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি বয়সভিত্তিক মানসিক বিকাশ, পরিবেশ ও পারিবারিক প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
ডিম পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি খাবার। এতে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ, প্রোটিন, ফ্যাট, ক্যারোটিনয়েডস, লিউটিন ও জিয়াজ্যান্থিনসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তাই শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক-সব বয়সীর জন্যই ডিম উপকারী। প্রশ্ন হচ্ছে, রোজার পর দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারে খালি পেটে ডিম বা ডিমের তৈরি খাবার খাওয়া কি ঠিক? পুষ্টিবিদদের মতে, সারাদিন খাবার ও পানীয় থেকে বিরত থাকার কারণে শরীর অনেকটাই নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এ সময় ইফতারে খালি পেটে ডিম বা ডিমের তৈরি খাবার খেলে শরীর দ্রু
চোখের পাতা লাফানো বা টলমল হওয়া অনেকেরই নজরে আসে না। সাধারণত এটি স্বাভাবিক ধরা হয় এবং অধিকাংশ মানুষ মনে করেন, এটি কোনো কারণ ছাড়া হয়ে থাকে এবং নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যাবে। তবে কিছু ক্ষেত্রে চোখের পাতা লাফানো শারীরিক বা স্নায়ুবিষয়ক সমস্যার লক্ষণও হতে পারে।
সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে এক গ্লাস ঠান্ডা ও পুষ্টিকর পানীয় যেন শরীর-মন দুটোকেই নতুন করে জাগিয়ে তোলে। অনেকেই তাড়াহুড়োয় বাইরে থেকে কেনা তাৎক্ষণিক শরবত পান করেন। মুহূর্তের স্বস্তি মিললেও সেগুলো সবসময় শরীরের জন্য উপকারী নাও হতে পারে। এর বদলে খুব সহজ উপায়ে ঘরেই তৈরি করা যায় স্বাস্থ্যসম্মত ও সুস্বাদু খেজুরের স্মুদি—যা একসঙ্গে দেবে শক্তি, পুষ্টি ও তৃপ্তি।
ক্যালেন্ডারের একই দিনে দুই আবেগ পহেলা বসন্ত আর ভালোবাসা দিবস। ঋতুর রঙিন উৎসব আর হৃদয়ের লাল আবেদন মিলেমিশে তৈরি করেছে ফ্যাশনপ্রেমীদের মিষ্টি দোটানা। শাড়ি তো পরবেনই, কিন্তু রঙ কী হবে বাসন্তী, নাকি লাল?
ঘুম না আসা শুধু অস্বস্তি নয়, এটি আমাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলে। ঘুমের অভাব স্মৃতিশক্তি, একাগ্রতা এবং মেজাজকে প্রভাবিত করে। দীর্ঘমেয়াদে এটি হতাশা, স্থূলতা, টাইপ ২ ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তবে কিছু সহজ প্রাকৃতিক পদ্ধতি ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।
বিশেষ দিন মানেই প্রিয়জনকে একটু আলাদা করে খুশি করার চেষ্টা। দামি উপহার কিংবা বড় আয়োজন সব সময় প্রয়োজন হয় না অনেক সময় নিজের হাতে বানানো ছোট্ট কিছুই সবচেয়ে বেশি অনুভূতির কথা বলে। ঠিক তেমনই এক মিষ্টি চমক হতে পারে ঘরে তৈরি চকলেট মাফিন।
ফলের দোকানে আম, কলা, আঙুর বা তরমুজ দেখে মন লাফায়, কিন্তু ডায়াবেটিস থাকলে অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যান। অনেকের ধারণা, ফল খেলেই রক্তে চিনি হঠাৎ বেড়ে যাবে।
ভালোবাসা কখনো চোখের ভাষায়, কখনো নীরবতায় আবার কখনো সাহসী একটি কথায় প্রকাশ পায়। অনুভূতির গভীরতায় ডুবে থাকা এই আবেগকে শব্দে প্রকাশ করা সহজ না হলেও, সঠিক মুহূর্ত পেলে ভালোবাসা হয়ে ওঠে আরও অর্থবহ। সেই বিশেষ মুহূর্তই নিয়ে আসে ভালোবাসার সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন প্রপোজ ডে।
ভীষণ ক্লান্ত লাগছে, আমি তো সব সময় অসুস্থই থাকি, এই বয়সে আর শরীর সাপোর্ট করে না এমন কথা আমরা প্রতিদিনই বলি। শুনতে এগুলো সাধারণ অভিযোগ মনে হলেও বিজ্ঞান বলছে, এই কথাগুলো ধীরে ধীরে শরীরকে সত্যিই অসুস্থ করে তুলতে পারে।
সুন্দর ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য অনেকেই ছুটে যান পার্লার কিংবা দামি স্কিন ট্রিটমেন্টের দিকে। অথচ ত্বকের আসল যত্নের শুরুটা হয় প্রতিদিনের খাবার থেকেই। ত্বক শুষ্ক হোক বা তেলতেলে, সংবেদনশীল হোক বা স্বাভাবিক ভেতর থেকে পুষ্টি না পেলে কোনো প্রসাধনীই দীর্ঘদিন কাজ করে না।