বিশেষ দিন মানেই প্রিয়জনকে একটু আলাদা করে খুশি করার চেষ্টা। দামি উপহার কিংবা বড় আয়োজন সব সময় প্রয়োজন হয় না অনেক সময় নিজের হাতে বানানো ছোট্ট কিছুই সবচেয়ে বেশি অনুভূতির কথা বলে। ঠিক তেমনই এক মিষ্টি চমক হতে পারে ঘরে তৈরি চকলেট মাফিন।
ফলের দোকানে আম, কলা, আঙুর বা তরমুজ দেখে মন লাফায়, কিন্তু ডায়াবেটিস থাকলে অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যান। অনেকের ধারণা, ফল খেলেই রক্তে চিনি হঠাৎ বেড়ে যাবে।
ভালোবাসা কখনো চোখের ভাষায়, কখনো নীরবতায় আবার কখনো সাহসী একটি কথায় প্রকাশ পায়। অনুভূতির গভীরতায় ডুবে থাকা এই আবেগকে শব্দে প্রকাশ করা সহজ না হলেও, সঠিক মুহূর্ত পেলে ভালোবাসা হয়ে ওঠে আরও অর্থবহ। সেই বিশেষ মুহূর্তই নিয়ে আসে ভালোবাসার সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন প্রপোজ ডে।
ভীষণ ক্লান্ত লাগছে, আমি তো সব সময় অসুস্থই থাকি, এই বয়সে আর শরীর সাপোর্ট করে না এমন কথা আমরা প্রতিদিনই বলি। শুনতে এগুলো সাধারণ অভিযোগ মনে হলেও বিজ্ঞান বলছে, এই কথাগুলো ধীরে ধীরে শরীরকে সত্যিই অসুস্থ করে তুলতে পারে।
সুন্দর ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য অনেকেই ছুটে যান পার্লার কিংবা দামি স্কিন ট্রিটমেন্টের দিকে। অথচ ত্বকের আসল যত্নের শুরুটা হয় প্রতিদিনের খাবার থেকেই। ত্বক শুষ্ক হোক বা তেলতেলে, সংবেদনশীল হোক বা স্বাভাবিক ভেতর থেকে পুষ্টি না পেলে কোনো প্রসাধনীই দীর্ঘদিন কাজ করে না।
বরইয়ের টক-ঝালে পাবদা মাছ—নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসে! নরম, কাঁটাবিহীন পাবদা মাছের সঙ্গে বরইয়ের হালকা টক-মিষ্টি স্বাদ মিলে তৈরি হয় এক ঘরোয়া, অথচ ভিন্নরকম পদ। বরইয়ের মৌসুমে রান্নাঘরে নতুনত্ব আনতে চাইলে এটি হতে পারে দারুণ পছন্দ।
সম্পর্কের অবসান এটি এমন এক সত্য যা প্রত্যেকে জীবনে একবার না একবার মুখোমুখি হয়। যন্ত্রণা এতই তীব্র যে মনে হয় প্রতিটি মুহূর্তে তা আপনাকে চিরতরে আঁকড়ে ধরে রাখছে। কেউ এই ব্যথা ভুলতে নিজেকে কাজের মধ্যে নিমগ্ন করেন, কেউ গান বা বইয়ের জগতে হারিয়ে যান। তবে বাস্তবে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া ততটা সহজ নয়। কিছু স্মৃতি মনের গভীরে চিহ্নিত হয়ে থাকে, যত্নসহকারে লালিত।
শার্ট এমন একটি পোশাক, যা বর্তমানে নারী ও পুরুষ উভয়ের কাছেই সমান জনপ্রিয়। দেখতে অনেকটাই একই রকম হলেও পুরুষ ও নারীদের শার্টে একটি সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে বোতামের অবস্থান। পুরুষদের শার্টের বোতাম থাকে ডান দিকে, আর নারীদের শার্টের বোতাম থাকে বাম দিকে। এই পার্থক্যের কারণ কি শুধুই ফ্যাশন? বিষয়টি মোটেও তেমন নয়। এর পেছনে রয়েছে ইতিহাস, সামাজিক বাস্তবতা ও নানা প্রচলিত ব্যাখ্যা।
মাথাব্যথা অনেকের দৈনন্দিন জীবনের বড় সমস্যা। কারও ক্ষেত্রে এটি মাইগ্রেন, আবার কারও ক্ষেত্রে সাইনোসাইটিস বা স্ট্রেসজনিত হেডেক। তবে তীব্র মাথাব্যথা মানেই যে মাইগ্রেন তা সব সময় সত্য নয়। অনেক সময় মাইগ্রেনের মতো উপসর্গ থাকলেও এর পেছনে অন্য জটিল স্বাস্থ্যসমস্যা লুকিয়ে থাকতে পারে।
মুখের দুর্গন্ধ বা ব্যাড ব্রেথ একটি সাধারণ কিন্তু বিব্রতকর সমস্যা। দৈনন্দিন জীবনে এটি আত্মবিশ্বাসে প্রভাব ফেলে এবং সামাজিক যোগাযোগেও অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। অনেক সময় অতিরিক্ত ওষুধ বা কেমিক্যালযুক্ত মাউথ ফ্রেশনার ব্যবহার না করেও ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। নিচে মুখের দুর্গন্ধ দূর করার কয়েকটি সহজ ও কার্যকর প্রাকৃতিক উপায় তুলে ধরা হলো—
গলায় পারফিউম ব্যবহার প্রায়শই স্টাইল বা সুগন্ধির জন্য করা হলেও এটি হরমোন ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, গলার ঠিক নিচে থাকা থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের বিপাকক্রিয়া, শক্তি, তাপমাত্রা ও হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া এটি লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ সরিয়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
আমাদের রান্নাঘরে থাকা অনেক মসলাই শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় না, শরীর সুস্থ রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জিরা, দারুচিনি কিংবা লবঙ্গের মতোই এমন এক উপকারী মসলা হলো কালো এলাচ। এর স্বতন্ত্র সুগন্ধ যেমন সহজেই নজর কাড়ে, তেমনি স্বাস্থ্যগুণের দিক থেকেও এটি অত্যন্ত কার্যকর।
সকালে খালি পেটে জিরা ভেজানো পানি পান করা এখন অনেকেরই দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সহজলভ্য এই ঘরোয়া পানীয়টি শরীর সুস্থ রাখতে নানাভাবে উপকার করে। নিয়মিত জিরা ভেজানো পানি পান করলে শরীরের ভেতর থেকে ধীরে ধীরে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। জেনে নেওয়া যাক এর উপকারিতাগুলো-
নতুন বছরের শুরু মানেই অনেকের লক্ষ্য ওজন কমানো। সাধারণত ডায়েট মানেই ভাত-রুটি বাদ দেওয়া বা প্রিয় খাবার থেকে দূরে থাকা এমন ধারণা প্রচলিত। তবে এবার আলোচনায় এসেছে ডুকান ডায়েট, যা মেনে চললে ঘি, মাখন, মাছ, মাংস ও ডিম খেয়েও দ্রুত ওজন কমানো সম্ভব বলে দাবি করছেন অনুসারীরা।
আপনি প্রতিদিন অফিস কিংবা কোথাও ঘুরতে যাচ্ছেন, অবশ্যই আপনি সাজগোজ করেই বের হচ্ছেন? সে কারণে লিপস্টিক আপনার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হাতে সময় কম থাকলেও সহজেই ঠোঁট রাঙিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। তবে আপনি কি একই রকমভাবে লিপস্টিক পরতে পরতে হাঁফিয়ে গেছেন? এবার নতুন কিছু চাইছেন? তবে ফ্যাশন ট্রেন্ডের হাওয়ায় গা ভাসিয়ে ‘হ্যালো লিপস’ই হতে পারে আপনার ভরসা। এভাবে ঠোঁট রাঙালে নাকি চুম্বকের মতো পিছু নেবেন আপনার সঙ্গী। আসলে কি তাই?