কোনো ব্যাংক লোকসানে থাকলে কর্মকর্তারা বোনাস পাবেন না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, ব্যাংকের মূলধন ১০ শতাংশের নিচে হয় এবং প্রভিশন লস করে তাহলে ডিভিডেন্ড ও বোনাস দিতে পারবেন না। যদি তারা প্রভিশন লস করেন, তিন মাসের ঋণ অনাদায়ী থাকলে তাকে নন পারফর্মিং লোন হিসেবে ধরা হবে।
গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো তো দূরের কথা, কোনোভাবেই ধস ঠেকানো যাচ্ছে না। মজুদ কমে আসায় প্রতিদিনই কমে আসছে উৎপাদন। চাইলেও দুই বছরের আগে আমদানি বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ধস ঠেকানো না গেলে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সুখবর হচ্ছে, দ্বীপ জেলা ভোলাতে গ্যাসের মজুদ বাড়ছে, কিন্তু পাইপলাইনের অভাবে সেই গ্যাস ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, আলুর দাম নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদে বহুবার আলোচনা হয়েছে। আলু রপ্তানিতে প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বাজার থেকে আলু বাজারে কিনে টিসিবির মাধ্যমে বিক্রি এবং রপ্তানির চেষ্টা চলছে। আগামী এক মাসের মধ্যে আলুর দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছি।
চলতি বছরের জুনে গুগল, মাস্টারকার্ড ও ভিসার সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সিটি ব্যাংক প্রথম ডিজিটাল ওয়ালেট সেবা গুগল পে চালু করার পর এবার আগামী ছয় মাসের মধ্যে গ্রাহকদের জন্য এই সেবা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে আরও কয়েকটি ব্যাংক।
শুল্কমুক্ত সুবিধায় সাবেক সংসদ সদস্যদের আমদানি করা ৩১টি গাড়ি এক বছর ধরে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন শেডে পড়ে আছে। প্রথম দফায় ২৪টি নিলামে তোলা হলেও মেলেনি কাঙ্ক্ষিত দাম। এতে বিক্রি করতে পারেনি কাস্টমস। ২৪টির মধ্যে নিলামে ১০টির ক্রেতাই ছিল না। বাকিগুলোর দাম উঠেছিল এক থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত। শুধুমাত্র একটির দাম উঠেছিল তিন কোটি ১০ লাখ টাকা। অথচ একেকটি গাড়ির বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা। তবে নিলামে মূল্য ধরা হয়েছিল ৯ কোটি ৬৭ লাখ তিন হাজার ৮৯৯ টাকা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, শত শত কোটি ডলারের চুরি করা সম্পদ করস্বর্গ ও ধনী দেশে পাচার ঠেকাতে কঠোর আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো তৈরি করা জরুরি।
বাজার স্থিতিশীল রাখতে এই ডলার কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি বলেন, বাজারে বর্তমানে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি। এ কারণেই রিজার্ভ থেকে বিক্রি না করে বরং বাজার থেকে ডলার কেনা হচ্ছে। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পাঁচ দফায় ডলার কিনেছিল। গত ১৩ জুলাই ১৮টি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১.৫০ টাকা দরে ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ১৫ জুলাই একই দরে ৩১ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২৩ জুলাই ১২১.৯৫ টাকা দরে ১ কোটি ডলার, ৭ আগস্ট ১২১.৩৫ থেকে ১২১.৫০ টা
ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের মূল্য ১ হাজার ২৭৩ টাকা থেকে ৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দেশের বাজারে আবারও স্বণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণে এক হাজার ৪৭০ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৭৫ হাজার ৭৮৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সেপ্টেম্বর মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) মূল্য বাড়ছে নাকি কমছে, তা জানা যাবে আগামী মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর)। এদিন এক মাসের জন্য এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করা হবে। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ওই দিন বিকেল ৩টায় এক মাসের জন্য নতুন দাম ঘোষণা করা হবে।
চলতি আগস্টের ৩০ দিনে ৯টি ব্যাংকে কোনো প্রবাসী আয় আসেনি। তার পরও চলতি মাসের ৩০ দিনে দেশে এসেছে ২২২ কোটি ৮৯ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার; যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২১ টাকা হিসাবে)।
মূলত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা এখনো একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে রয়েছে।
এক মাসের বেশি সময় ধরে ঢাকায় পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দামে চড়াভাব চলছে। কাঁচাবাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ৮০ টাকায় ঠেকেছে। তবে দেশি রসুন কিছুটা স্বস্তিদায়ক হলেও বিদেশি রসুনের দাম দ্বিগুণের কাছাকাছি। ব্যবসায়ীদের দাবি, সরবরাহ ও আমদানির জটিলতায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে ক্রেতারা মনে করেন, কার্যকর বাজার নিয়ন্ত্রণের অভাবেই দাম এভাবে বেড়ে চলেছে।
বাজারে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই সবজির দাম বেশ চড়া। এরমধ্যে বেড়েছে মুরগি, ডিম ও পেঁয়াজের দাম। নতুন করে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে মুদি পণ্যের দামে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে মসুর ডাল ও আটা-ময়দার। বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ভোক্তাপর্যায়ে আলুর দামও বাড়তে পারে।
দেশের অর্থনীতি আবারও চাপে পড়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরুতে প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ঋণের উচ্চ সুদ এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমে গেছে। এর কারণে বিনিয়োগ খাত স্থবির হয়ে পড়েছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।