হংকংয়ের বিপক্ষে জয়ের সংখ্যা বেড়েছে বাংলাদেশের, কিন্তু পারফরম্যান্সে সেই আগ্রাসনটা দেখা গেল না। শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে হংকংকে ১৪ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে হারালেও প্রশ্ন উঠছে, এটা কি যথেষ্ট ছিল? বিশেষ করে যখন একই প্রতিপক্ষকে স্রেফ উড়িয়ে দিয়েছে আফগানিস্তান, তখন বাংলাদেশের জয়টা অনেকটাই ফিকে।
এশিয়া কাপে বাংলাদেশ এসেছে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যের কথা জানিয়ে। ক্রিকেটাররা বারবারই বলছেন, লক্ষ্যপূরণে আত্মবিশ্বাসটাও ভালোভাবেই আছে তাঁদের। বাস্তবতা যদিও কঠিন। তাঁদের সম্ভাবনায় আস্থা রাখার মানুষ খুব একটা নেই। বরং নানা জায়গা থেকে ধেয়ে আসছে টিকা-টিপ্পনীও।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ছক্কারের মালিক এখন লিটন দাস। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে টপকে এই রেকর্ড গড়েছেন তিনি। ক্যারিয়ার জুড়ে ১১১ ম্যাচে ৭৮ ছক্কায় এককভাবে এই তালিকায় এক নম্বর স্থান নিজের করে নেন এলকেডি। শুধু তাই নয়, এশিয়া কাপে হংকং ম্যাচে একাধিক রেকর্ডের মালিক হলেন তিনি। এই ফরম্যাটে টাইগারদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় উঠে এসেছেন দুই নম্বরে।
২০১৩ সালের পর পাকিস্তানের সঙ্গে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেনি ভারত। এখন পর্যন্ত দুই দলের প্রতিযোগিতা হচ্ছে শুধু বহুজাতিক টুর্নামেন্টগুলোতে। এই দুটি খবরই পুরোনো।
হংকংয়ের বিপক্ষে একমাত্র দেখায় হারের দুঃস্মৃতি থাকলেও এবার স্পষ্ট ফেভারিট ছিল বাংলাদেশই।
এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হংকংয়ের বিপক্ষে খেলছে বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করে লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছে হংকং।
টি-টোয়েন্টি নিঃসন্দেহে চার-ছক্কার খেলা। ছক্কা মারতে পারার সামর্থ্য যাদের বেশি, সেই দল সবসময়ই এগিয়ে থাকে। তবে ছক্কা মারাই কেবল গুরুত্বপূর্ণ নয়, স্মার্ট ক্রিকেট খেলতে পারাও বড় ব্যাপার; মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস।
এশিয়া কাপে বাংলাদেশের প্রথম লক্ষ্য ‘সুপার ফোর’ খেলা, মানে সেরা ৪ দলের মধ্যে থাকা। আর সে লক্ষ্য পূরণের প্রথম শর্তই হলো, নিজেদের গ্রুপে প্রথম দুই দলের মধ্যে জায়গা করে নেয়া। আর তা করতে হলে অন্তত দুটি ম্যাচ জিততে হবে।
বাছাই পর্ব পেরিয়ে মূল পর্বে জায়গা পাওয়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের শুরুটা ভালো হলো না। শক্তিমত্তার বিচারে এগিয়ে থাকা ভারতের সামনে নূন্যতম লড়াইটুকুও করতে পারেনি তারা।
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটার ডাক পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এসএ২০-তে।
কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিবেন না আকরাম খান।
নেপালে সরকারবিরোধী আন্দোলন নতুন মাত্রা পেয়েছে। কূটনীতিকদের এলাকাগুলোতে (ডিপ্লোমেটিক জোন) কারফিউ দিয়েছে সরকার। কাঠমান্ডুের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা। ফলে দ্বিতীয় ম্যাচের প্রস্তুতি নিতে হোটেল থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ দল।
রাত পোহালেই ডাকসু নির্বাচন। ইতোমধ্যে প্রচার-প্রচারণার কাজ শেষ করেছেন প্রার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের এই নির্বাচন ঘিরে সর্বমহলে চলছে আলোচনা। তবে এবার ঘটলো এক অভূতপূর্ব ঘটনা।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন নিয়ে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। বোর্ডের সিনিয়র সহসভাপতি নাজমুল আবেদীন ফাহিম সিলেটে জানিয়েছিলেন, অক্টোবরে হবে বিসিবি’র পরিচালনা পর্ষদ ও বিসিবি সভাপতি নির্বাচন। বিসিবির মতো বোর্ড নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিসিআই)।