জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের জন্য নীতিমালা পাস হওয়া থেকে শুরু করে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের আশ্বাস দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম।
রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে নিজের কার্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি বলেন,
‘মঙ্গলবার আমরা বিশেষ সিন্ডিকেট সভা ডেকে নীতিমালা নিয়ে আলোচনা করব। সেই নীতিমালা সিন্ডিকেটে অনুমোদনের পর ইউজিসিতে পাঠানো হবে। এরপর শিক্ষামন্ত্রণালয় হয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে। সেখান থেকে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে আইন পাস হলে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জকসু নির্বাচনের আয়োজন করব।’
তিনি আরও বলেন, “জকসু নিয়ে কাজ করতে এখন পর্যন্ত কোনো বাধা পাইনি। পরবর্তীতে যদি কোনো বাধা আসে, তাহলে সবার সামনে তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেব।”
এর আগে আবাসন খাতে সম্পূরক বৃত্তি প্রদান, জকসু নীতিমালা এবং নির্বাচন আয়োজনের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে সকাল থেকে ‘ব্রেক দ্য সাইলেন্স’ কর্মসূচি পালন করেন। দুই ঘণ্টা অবস্থানের পর দুপুর ১২টায় তারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে উপাচার্যের কক্ষের সামনে অবস্থান নেন।
এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ‘আটটা টু আটটা, বাজায় কার ঘণ্টা’, ‘ভিসি স্যার জানেন না নাকি, আমরা এখানে বসে গেছি’, ‘ভিসি স্যার শুনছেন নাকি, আমরা এখানে বসে আছি’, ‘হচ্ছে হবে বাদ দাও, কবে হবে বলে দাও’, ‘করছি করছি বাদ দাও, কবে হবে বলে দাও’, ‘জ্বালরে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘সিন্ডিকেটের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে’, ‘জকসু আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’, ‘বৃত্তি আমার অধিকার, মুখে দেওয়ার সাধ্য কার’, ‘বিপ্লবে বলীয়ান, নির্ভীক জবিয়ান’সহ নানা স্লোগান দেন।
রিপোর্টার্স ২৪/ প্রীতিলতা