মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা, মাড়ি, লালা গ্রন্থি এবং গলা সবই মুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারে, এটি বিপজ্জনক এবং কখনও কখনও মারাত্মক অসুস্থতা। মুখের ক্যান্সারের মৃত্যুর হার অন্যান্য অন্যান্য ক্যান্সারের তুলনায় অনেক বেশি। কারণ মুখের ক্যান্সার বেশিরভাগ সময়ে শেষ পর্যায়ে আবিষ্কৃত হয়, যা থেরাপির কার্যকারিতা এবং সম্ভাবনাকে কমিয়ে দেয়। এ কারণে দাঁতের ডাক্তারের কাছে নিয়মিত মুখের ক্যান্সার পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ সম্পর্কে জানা গেলে চিকিৎসা করা সহজ হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক মুখের ক্যান্সারের লক্ষণ-
গ্রীষ্মের শুরুতে বাজারে কাঁচা আম আসে, আর এর টক স্বাদ ও ঘ্রাণ অনেককে শৈশবের দিনগুলো মনে করিয়ে দেয়। শুধু স্বাদই নয়, কাঁচা আম খাওয়া আমাদের শরীরের জন্য অসংখ্য উপকার বয়ে আনে।
হরমোন, জীবনযাপন, দৈনন্দিন রুটিন এবং মানসিক সুস্থতা নারীদের স্বাস্থ্যে বড় প্রভাব ফেলে। বাড়ি ও কর্মক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান দায়িত্বের কারণে আজকাল অনেক নারী মেজাজ, শক্তি এবং ঘুমের ওঠানামার সমস্যায় ভুগছেন। কিছু প্রাকৃতিক ভেষজ আছে যা কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই শরীরকে সমর্থন করে। চলুন জেনে নিই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ:
একটি দীর্ঘ, ক্লান্তিকর দিনের শেষে ঘুমের আগে এক কাপ গরম চা যে আরাম দেয়, তা আমরা সকলেই জানি। তবে আদা চা শুধু আরামই দেয় না, এটি ঘুমের মানও উন্নত করতে সাহায্য করে। প্রাচীন ভেষজ চিকিৎসায় আদা চায়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা দীর্ঘদিন ধরে স্বীকৃত।
ফ্যাটি লিভার ডিজিজ নীরবে তৈরি হয়। এর কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ বা তাৎক্ষণিক সতর্ক সংকেত থাকে না, লিভার ধীরে ধীরে চর্বিতে ভরে যায়। অনেকের কাছে এই রোগ নির্ণয়টি উদ্বেগজনক মনে হয়। কিন্তু একটি আশ্বস্তকারী সত্য হলো, এটি এমন কয়েকটি রোগের মধ্যে একটি যেখানে সঠিক সহায়তা পেলে শরীর সত্যিই নিজেকে সুস্থ করে তুলতে পারে। আসল প্রশ্নটি এটা নয় যে ওষুধ ছাড়া এটি সেরে উঠতে পারে কি না। বরং প্রশ্নটি হলো, লিভারের প্রকৃত প্রয়োজনের সঙ্গে দৈনন্দিন অভ্যাসগুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না।
জিরা শুধু রান্নার স্বাদ বাড়াতেই নয়, স্বাস্থ্য রক্ষাতেও অত্যন্ত কার্যকর একটি মসলা। বিশেষ করে জিরা ভেজানো পানি নিয়মিত পান করলে শরীরে নানা ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক এর উল্লেখযোগ্য উপকারিতাগুলো
কোলন বা বৃহদন্ত্রের ক্যানসারে তরুণদের আক্রান্ত হওয়ার হার বেড়ে যাচ্ছে। এটি এখন আর শুধুমাত্র বয়সকালের রোগ নয়। সমীক্ষা দেখাচ্ছে, ত্রিশ থেকে চল্লিশ বছর বয়সের মধ্যে কোলন ক্যানসারের হার তুলনামূলকভাবে বেশি।
আধুনিক জীবনযাত্রা আমাদেরকে এমন এক ব্যস্ত ও চাপপূর্ণ বাস্তবতায় নিয়ে গেছে, যেখানে অজান্তেই আমরা এমন কিছু অভ্যাস গড়ে তুলছি যা ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের ক্ষতি ডেকে আনছে। অবিরাম মোবাইল ব্যবহার, ঘুমের অনিয়ম, অতিরিক্ত তথ্যের চাপ কিংবা দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ সবকিছু মিলেই তৈরি করছে এক নতুন ধরনের “ব্রেন ফ্যাটিগ”। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিনের কিছু অভ্যাস সচেতনভাবে বদলাতে পারলে মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কয়েকটি অভ্যাস সম্পর্কে
প্রচণ্ড গরমের দিনে কিংবা কোনো বিয়ে-দাওয়াতে আপ্যায়নের সময় অনেকেই হাতে ধরিয়ে দেন ঠাণ্ডা কোমল পানীয়। এক চুমুকে তৃষ্ণা মেটাতে অনেকে বোতলভর্তি সফট ড্রিঙ্ক শেষ করে ফেলেন নিমিষেই। কিন্তু এই সামান্য স্বস্তির আড়ালে শরীরে কতটা ক্ষতি হচ্ছে তা অনেকেই বুঝতে পারেন না।
আজ বিশ্ব কিডনি দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। প্রতি বছর মার্চ মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার এই দিবসটি পালন করা হয়।
এয়ার ফ্রায়ার দ্রুতই রান্নাঘরের সবচেয়ে জনপ্রিয় যন্ত্র হয়ে উঠেছে। এটি অনেক সময় ডিপ ফ্রাইয়ের স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে বাজারজাত করা হয়, কারণ মুচমুচে খাবার তৈরি করতে খুব বেশি তেলের প্রয়োজন হয় না। তবে প্রশ্ন হচ্ছে এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার সত্যিই খাবারকে স্বাস্থ্যকর করে নাকি কেবল খাবারকে সুস্বাদু করে?
ইফতারে প্রতিদিন একটু হলেও ভাজাপোড়া অনেকেই খেয়ে থাকেন। ইফতারে ছোলা-মুড়ি- বেগুনি-আলুর চুপ ছাড়া অনেকের চলেই না। এক্ষেত্রে অনেকে সাথে রাখে জিলাপীকেও। তবে সারাদিন রোজার পর খালি পেটে জিলাপি খেলে শরীরে কী ঘটে, তা জানা জরুরি বিশেষ করে কারও যদি ডায়াবেটিস বা গ্যাস্ট্রিকের মতো সমস্যা থেকে থাকে।
পর্যাপ্ত ঘুম সুস্থ জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমানে মানসিক চাপ, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে অনেকেই রাতে সহজে ঘুমাতে পারেন না। আলো নিভিয়ে ফোন দূরে রাখলেও অনেক সময় ঘুম আসতে চায় না।
সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়া হয়। মসলাদার, ভাজা বা তেলযুক্ত খাবার খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা বেশি দেখা দিতে পারে। এ সমস্যা থেকে বাঁচতে সচেতন থাকা জরুরি। ইফতার ও সেহরিতে কম মশলাযুক্ত, হালকা খাবার খাওয়াই নিরাপদ।
রোজা রাখার ফলে আমাদের শরীরেও অনেক প্রভাব পরে। শরীরের ভেতরে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আসে রোজা রাখলে। এর রয়েছে অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা। যার মধ্যে রয়েছে LDL (খারাপ) কোলেস্টেরল এবং রক্তচাপ কমিয়ে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি। এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং ডিটক্স হিসেবে কাজ করে, পাচনতন্ত্রকে বিশ্রাম এবং মেরামত করতে দেয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক রোজা রাখলে শরীরে কী উপকারিতা পাওয়ায যায়-